1. [email protected] : শেয়ারবার্তা প্রতিবেদক : শেয়ারবার্তা প্রতিবেদক
  2. [email protected] : শেয়ারবার্তা প্রতিবেদক : শেয়ারবার্তা প্রতিবেদক
  3. [email protected] : শেয়ারবার্তা.কম : শেয়ারবার্তা.কম
আন্তর্জাতিক ডেবিট কার্ড চালুর অনুমতি-বাংলাদেশ ব্যাংক
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন

আন্তর্জাতিক ডেবিট কার্ড চালুর অনুমতি-বাংলাদেশ ব্যাংক

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০
credit-card

দেশে প্রথমবারের মত ব্যাংকগুলোকে আন্তর্জাতিক ডেবিট কার্ড চালু করার অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

একজন গ্রাহকের অ্যাকাউন্টের বিপরীতে আন্তর্জাতিক ডেবিট কার্ড দিতে পারবে ব্যাংক। ক্রেডিট কার্ডের মত এক্ষেত্রেও বার্ষিক ভ্রমণ কোটার ১২ হাজার ডলারের বেশি বিদেশে খরচ করতে পারবেন না গ্রাহক।

এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে মঙ্গলবার সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ।

এই বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, বিদেশে গিয়ে এই আন্তর্জাতিক ডেবিট কার্ড দিয়ে ক্রেডিট কার্ডের মতই কেনাকাটা, যাতায়াত, হোটেলের বিল পরিশোধসহ অনুমোদিত সবকিছু করা যাবে। সেজন্য বিদেশে যাওয়ার আগে বার্ষিক ভ্রমণ কোটার প্রাপ্য ডলার এন্ডোর্স করিয়ে নিতে হবে।

“তবে বছরে একজন ১২ হাজার ডলারের বেশি খরচ করা যাবে না। তবে সুবিধা হল, ক্রেডিট কার্ডে যেমন খরচের সীমা বেঁধে দেওয়া হয়, এক্ষেত্রে তা থাকবে না। নিজের অ্যাকউন্টে টাকা থাকলে গ্রাহক ভ্রমণ কোটার ওই ১২ হাজার ডলারের পুরোটাই খরচ করতে পারবেন।”

যে অ্যাকাউন্টের বিপরীতে কার্ড ইস্যু হবে তাতে পর্যাপ্ত টাকা থাকতে হবে। সেখান থেকে ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রায় রূপান্তর করে সমন্বয় করে নেবে। তবে কোনোভাবেই যেন গ্রাহক ভ্রমণ কোটার অতিরিক্ত বিদেশি মুদ্রা ব্যয় করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে ব্যাংকগুলোকে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তর্জাতিক ডেবিট কার্ড ইস্যুর সুযোগ দিলেও বাংলাদেশের অধিকাংশ ব্যাংকের এ মুহূর্তে সেই সক্ষমতা নেই বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা।

বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যরত বিদেশি মালিকানার কয়েকটি ব্যাংকেরই কেবল এই কার্ড ইস্যুর উপযুক্ত প্রযুক্তি রয়েছে। তবে দেশি ব্যাংকগুলোও শিগগিরই নতুন প্রযুক্তি যুক্ত করে নেবে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে।

বর্তমানে বিশ্বের যে কোন দেশে ব্যক্তিগত ভ্রমণের জন্য বছরে মাথাপিছু সর্বোচ্চ ১২ হাজার মার্কিন ডলার বা সমপরিমাণ অর্থ খরচ করতে পারেন বাংলাদেশিরা। একেই বার্ষিক ভ্রমণ কোটা বলা হচ্ছে

ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার মতামত জানান:

ভালো লাগলে শেয়ার করবেন...

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ