ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ৪ কার্তিক ১৪২৫

আটকে পড়া শেয়ারে দুই উপায়ে নেটিং করুন

২০১৭ আগস্ট ২৯ ২৩:৪১:২৯
আটকে পড়া শেয়ারে দুই উপায়ে নেটিং করুন

২০১০ পূর্ববর্তী সময়ে শেয়ারে নেটিং করা অনেক সহজ ছিল, তখন মার্কেটে প্রচুর vibration ছিল। এখন তো মার্কেটে vibration নেই। তাই নেটিং করা অনেক কঠিন। তবে কঠিনকে সহজ করে নিতে পারলে, আপনার কাছেও সহজ হয়ে যাবে।

আসল কথা হলো অভ্যাস করতে পারলে সহজ হতে বাধ্য। আপনি যদি কোন শেয়ারে আটকা পড়েন, তাহলে নেটিং করে লস কমানো যায়। কীভাবে নেটিং করে লস কমানো যায়, নিচে তা আলোচনা করা হলো:

নেটিংকে দুইভাগে ভাগ করা যেতে পারে। যেমন:

১. ডে নেটিং :- দিনের মধ্যে যেটা সম্পূর্ণ করা হয় তাই ডে নেটিং। যেমন আপনি সকালে বেশি দামে সেল করলেন, বিকেলে কম দামে বাই করলেন। অথবা সকালে কম দামে বাই করলেন, বিকেলে বেশি দামে সেল করলেন। তবে সঠিক নিউজ ছাড়া ডে নেটিং করা যায় না।

সাবধান, প্রতিদিন কখনো ডে নেটিং করতে যাবেন না। এটা একমাত্র সঠিক নিউজ এবং প্রচুর পুঁজি থাকলে করা যায়। এটা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ক্ষতিকর।

২. দীর্ঘ মেয়াদী নেটিং :– যে নেটিং কয়েকদিনের মধ্যে সম্পন্ন করা যায়। যেমন ধরুন, আজকে বেশি দামে একটি শেয়ার সেল করলেন, কয়েকদিন পরে শেয়ারটি আবার কমে গেলে বাইব্যাক করলেন। এটাই আমাদের জন্য সঠিক। এটাতে কোন riskনেই এবং আমাদের বিনিয়োগকে safe করে।

ব্যাপারটা উদাহরণ দিয়ে বললে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হবে। মনে করুন, তিন মাস আগে আমি ৫ হাজার টাকার একটি শেয়ার বাই করেছিলাম ৫০.৬০ টাকা দরে। গত তিন মাসে মোট চার বার শেয়ারটি ৫৩ টাকায় যেয়ে আবার ব্যাক করে ৫০ টাকায় নেমে আসে। এর মধ্যে দুবার আমি ৫৩ টাকা করে ২৫০০ শেয়ার সেল করি। কয়েকদিন পর যখন ৫০ টাকায় নেমে আসে, সেই ২৫০০ শেয়ার বাই করি। এতে আমার risk অনেকটা কমে গেল। ঘোষণার আগে শেয়ারটি ৪৭ টাকায় নেমে আসে, তখন আমি কিছু এভারেজ করি। একটা কথা বলে রাখা প্রয়োজন যে, ভালো শেয়ারের স্বাভাবিক কিছু শক্তি থাকে, যখন কোন কারণে বেশি নেমে আসে, পরবর্তীতে খুব দ্রত তা আবার রিকভার করে।

আসল কথা হচ্ছে, মনে করুন আপনার হাতে ৪ হাজার শেয়ার আছে, আপনি দুই ভাগ করুন। এক ভাগ আপনার টার্গেট পর্যন্ত ধরে রাখুন। আর অন্য ভাগ কিছু বাড়লে সেল করুন। তবে এ টাকা আপনি অন্য আইটেমে ব্যবহার করবেন না। এরপর অপেক্ষা করুন আবার নিচে আসে কিনা। আসলে বাই, আর না আসলে ফি-আমানিল্লাহ্। তবে এটা ঠিক-নেটিং করতে হলে আপনার শেয়ারে ভাইব্রেশান থাকা জরুরি। অর্থাৎ যে শেয়ারের দর উঠা-নামা করে, সেই শেয়ারে নিটিং করা সহজ।

শেয়ারবার্তা.কম

সাক্ষাৎকার এর সর্বশেষ খবর

উপরে