ঢাকা, বুধবার, ২৩ মে ২০১৮, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

চার কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

২০১৭ জুলাই ১২ ০৭:১২:২৩
চার কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক ও লিজিং খাতের চার কোম্পানি বিভিন্ন প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক: কোম্পানিটি চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে এক টাকা ৩৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা ২৪ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি লোকসান বেড়েছে ১৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত সমাপ্ত ৯ মাসে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে দুই টাকা ৭৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল তিন টাকা ১৫ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্যে দায় হয়েছে ৩১ টাকা ৬৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৩০ টাকা ৭২ পয়সা।

২০০১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করেছে। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় লোকসান হয়েছে এক টাকা ৩৪ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৯২ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী লোকসান হয়েছে দুই কোটি ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

২০১৫ সালে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান করেছিল দুই টাকা ৯ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্যে দায় ছিল ২৭ টাকা ৫৭ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৭৮ পয়সা ও ২৫ টাকা ৪৯ পয়সা। কর-পরবর্তী লোকসান করেছে তিন কোটি ৩৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল দুই কোটি ৮৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ৮০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৬ কোটি টাকা। রিজার্ভে দায়ের পরিমাণ ৬২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬৩ পয়সা। কর-পরবর্তী লোকসান করেছে এক কোটি ৯০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭৫ পয়সা। কর-পরবর্তী লোকসান করেছে এক কোটি ১৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে এক টাকা ৩৭ পয়সা। কর-পরবর্তী লোকসান করেছে দুই কোটি ২০ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির মোট এক কোটি ৬০ লাখ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্য মতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৫০ শতাংশ শেয়ার এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বাকি ৫০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

মেঘনা পিইটি ইন্ডাস্ট্রিজ: চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১১ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১০ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি লোকসান বেড়েছে এক পয়সা। ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত সমাপ্ত ৯ মাসে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৯ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্যে দায় হয়েছে তিন টাকা ১০ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল দুই টাকা ৬৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৬ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্যে দায় হয়েছে দুই টাকা ৮০ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী লোকসান করেছিল ৪৭ লাখ ২০ হাজার টাকা।

৩০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১২ কোটি টাকা। রিজার্ভে ঘাটতির পরিমাণ ১৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির মোট এক কোটি ২০ লাখ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৫০ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৫০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

বিচ হ্যাচারি: চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১০ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি লোকসান বেড়েছে তিন পয়সা। ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত সমাপ্ত ৯ মাসে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৯ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ১০ টাকা ৯১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১১ টাকা ২৬ পয়সা।

ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট: প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে তিন টাকা ৮২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৭৯ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি লোকসান বেড়েছে তিন টাকা তিন পয়সা। ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) আট টাকা ৭৬ পয়সা।

শেয়ারবার্তা/ফারজানা

সংবেদনশীল তথ্য এর সর্বশেষ খবর

উপরে