ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট ২০১৮, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫

ডিভিডেন্ড ঘোষণার অপেক্ষায় তালিকাভুক্ত ৯০ কোম্পানি

২০১৭ জুলাই ১২ ০১:০৩:২২
ডিভিডেন্ড ঘোষণার অপেক্ষায় তালিকাভুক্ত ৯০ কোম্পানি

৩০ জুন শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারের খাতগুলোর মধ্যে ১০টি খাে ৯০টি কোম্পানির। এখন এ ৯০ কোম্পানি পর্যায়ক্রমে খুব শিগগিরই ডিভিডেন্ড করবে। আর্থিক বছর শেষ হওয়া এ ৯০ কোম্পানির মধ্যে ৪৩টির মুনাফা ও শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। সদ্য সমাপ্ত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ অর্থাৎ প্রথম নয় মাসের হিসাব পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এদিকে মুনাফা বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিগুলোকে ঘিরে

বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা বাড়ছে। কোম্পানিগুলো মুনাফার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিভিডেন্ড প্রদান করবে এ প্রত্যাশা তাদের।

সিমেন্ট খাত : এ খাতের ৭টি কোম্পানির মধ্যে ৫টির আর্থিক বছর সম্পন্ন হয়েছে ৩০ জুন। কোম্পানিগুলোর মধ্যে সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের সর্বশেষ প্রকাশিত জুলাই থেকে মার্চ সময়ে ৩টি কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। কোম্পানি তিনটির মধ্যে ৯ মাসের হিসাবে কনফিডেন্স সিমেন্টের শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ৭.৭১ টাকা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭.১০ টাকা। মেঘনা সিমেন্টের শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছে ০.৫৭ টাকা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ০.১০ টাকা। প্রিমিয়ার সিমেন্টের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৩.৯৩ টাকা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩.৮৮ টাকা।

সিরামিকস খাত : এ খাতের জুন ক্লোজিং হওয়া ৪টি কোম্পানির মধ্যে জুলাই থেকে মার্চ সময়ে ২টির (ফু-ওয়াং সিরামিক ও মুন্নু সিরামিক) শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে। অপরদিকে মুনাফা থেকে লোকসানে নেমেছে ২টি (শাইনপুুকুর সিরামিক ও স্টান্ডার্ড সিরামিক) কোম্পানি।

প্রকৌশল খাত: এ খাতের কোম্পানি রয়েছে ৩৩টি। এর মধ্যে সিঙ্গার বিডি বাদে সবগুলোরই অর্থবছর সমন্ন হয়েছে ৩০ জুন। জুন ক্লোজিং হওয়া ৩২টি কোম্পানির মধ্যে সদ্য সমাপ্ত বছরের প্রথম ৯ মাসের হিসাব প্রকাশ করেছে ৩০টি কোম্পানি। এ কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৪টির মুনাফা বেড়েছে। কোম্পানিগুলো হলো- আফতাব অটোমোবাইলস, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, আজিজ পাইপস্, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস, বিডি অটোকারর্স, দেশবন্ধু পলিমার, ইফাদ অটোস, কেডিএস এক্সেসরিস, মুন্নু জুট স্ট্যাফলার্স, ন্যাশনাল পলিমার, কাশেম ড্রাইসেলস্, রংপুর ফাউন্ড্রি, আরএসআরএম স্টিল ও ইয়াকিং পলিমার।

খাদ্য ও আনুষঙ্গি খাত : এ খাতের ১৮টি কোম্পানির মধ্যে জুন ক্লোজিং হয়েছে ১৭টির। এর মধ্যে প্রথম ৯ মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মুনাফা বেড়েছে ৬টি কোম্পানির। কোম্পানিগুলো হলো- এএমসিএল (প্রাণ), অ্যাপেক্স ফুডস, ফাইন ফুডস, গোল্ডেন হার্ভেস্ট, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ এবং আরডি ফুড।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত : পুঁজিবাজারের এ খাতটিতে মোট ১৮টি কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ১৭টির অর্থবছর শেষ হয়েছে জুনে। এর মধ্যে সদ্য সমাপ্ত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের সর্বশেষ প্রকাশিত প্রথম নয় মাসে ১২ কোম্পানির মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। মুনাফা বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিগুলো হলো- বারাকা পাওয়ার, ডোরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস, জিবিবি পাওয়ার, যমুনা অয়েল, এমজেএল বাংলাদেশ, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, পদ্মা অয়েল, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অফ বাংলাদেশ, শাহাজিবাজার পাওয়ার, সামিট পাওয়ার, তিতাশ গ্যাস ও ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিকিউশন।

তথ্যপ্রযুক্তি খাত : এ খাতের মোট ৭টি কোম্পানির মধ্যে সবগুলোরই আর্থিক বছর সম্পন্ন হয়েছে জুনে। সদ্য সম্পন্ন হওয়া অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে ৫টির মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। কোম্পানিগুলো হলো- আমরা টেকনোলোজিস, অগ্নি সিস্টেমস, বিডিকম অনলাইন, ড্যাফোডিল কম্পিউটারস ও আইটি কন্সালটেন্ট।

পাট খাত : এ খাতের ৩টি কোম্পানির মধ্যে সবগুলোরই ৩০ জুন আর্থিক বছর সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে সদ্য সমাপ্ত হিসাব বছরের সর্বশেষ প্রকাশিত প্রথম ৯ মাসে মুনাফা বেড়েছে ২টি কোম্পানির। এ কোম্পানিগুলো হলো- নদার্ণ জুট ও সোনালি আঁশ।

কাগজ ও মুদ্রণ খাত : সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে এ খাতে থাকা ২টি কোম্পানিই লোকসানে রয়েছে। কোম্পানি দু’টি হলো- হাক্কানি পাল্প অ্যান্ড পেপার ও খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং।
টেলিযোগাযোগ খাত : এ খাতের ২টি কোম্পানির মধ্যে জুনে সম্পন্ন হয়েছে ১টি কোম্পানির অর্থবছর। জুন ক্লোজিং হওয়া এ কোম্পানির মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। আর এ কোম্পানিটি হলো- বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি।

ভ্রমণ ও অবকাশ খাত : এ খাতটির ৪টি কোম্পানির মধ্যে সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে সবগুলোরই মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে বা লোকসান বেড়েছে।

শেয়ারবার্তা/ফারজানা

সংবেদনশীল তথ্য এর সর্বশেষ খবর

উপরে