ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬

বন্ধ করতে হবে কোম্পানির মন্দ আর্থিক প্রতিবেদন, আইপিও না: মিনহাজ ইমন

২০১৯ সেপ্টেম্বর ১৭ ২২:১২:২৭
বন্ধ করতে হবে কোম্পানির মন্দ আর্থিক প্রতিবেদন, আইপিও না: মিনহাজ ইমন

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেছেন, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ভাল ও মন্দ উভয় কোম্পানি আসে। তাই বলে আইপিও বন্ধ করা যাবে না। বন্ধ করতে হবে কোম্পানির মন্দ আর্থিক প্রতিবেদন।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) শেরে বাংলানগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে শেয়ারবাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামালকে উদ্দেশ্য করে তিনি এ কথা বলেন৷

ইমন বলেন, আমরা কথায় কথায় শেয়ারবাজারে ভাল মানের আইপিও আসছে না বলে থাকি৷ আসলে ভাল মানের আইপিও বলতে কিছু নেই৷ আইপিওতে যেসব কোম্পানি আসে তাদের আর্থিক প্রতিবেদনের মান নিয়ে আমরা বলতে পারি৷ প্রসপেক্টাসে যে আর্থিক প্রতিবেদন থাকে, সেটা কোম্পানি তৈরি করে৷ ইস্যু ম্যানেজার তা নিয়ে আসে এবং অডিটর সেটায় স্বাক্ষর করে।

তিনি বলেন, বাজারে আসার আগে আর্থিক প্রতিবেদনে কোম্পানির যে তথ্য থাকে, আইপিও আসার ২-৩ বছর পর সেই চিত্রটা থাকে না। বিনিয়োগকারী এই জায়গায় আস্থাটা প্রতিনিয়ত হারাচ্ছে৷

অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করে ডিএসইর এই পরিচালক বলেন, আর্থিক প্রতিবেদন সংক্রান্ত যদি কোন সন্দেহ থাকে এবং বাজারের কোন স্টেকহোল্ডার, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আর্থিক প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন সন্দেহ প্রকাশ করে, তবে সেই সন্দেহটা উৎঘাটন করার একটি সুষ্ঠু প্রক্রিয়া আমরা আপনার কাছে চাই৷ কোন আর্থিক প্রতিবেদনে সন্দেহ থাকলে, সে আর্থিক প্রতিবেদন পুনঃতদন্ত করার একটি দরজা আপনাকে খোলা রাখতে হবে৷ এ বিষয়ে করণীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আপনাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

ডিএসইর এই পরিচালক বলেন, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছে যে আর্থিক প্রতিবেদন আসে, তারা কিন্ত এটাকে বিশ্বাস করতে চায়৷ কিন্ত উদ্যোক্তা টাকা তুলে নেবার পরে মনিটরিংয়ের অভাবে বা মনিটরিং করার পরেও যদি কোম্পানির আর্থিক অবস্থা খারাপ হয়, তখন বিএসইসি’র তেমন কিছু করার থাকে না৷ তাই আইপিও দেওয়ার আগে যদি ভাল কোন ভূমিকা রাখতে পারি, সেক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী টাকাও হারাবে না, আস্থার জায়গাও নষ্ট হবে না।

সবশেষে তিনি বলেন, শেয়ারবাজারের যেসব বিনিয়োগকারী আছে, তারা বাজারের উপর আস্থা প্রতিনিয়ত হারিয়েছেন এবং হারাচ্ছেন৷ আলোচনা অনেক হয়। কিন্ত বিনিয়োগকারীরা হাতে কিছু পায় না৷ মাননীয় অর্থমন্ত্রীবাজার সম্পর্কে সব সময় আগ্রহ প্রকাশ করেন৷ অথবা সরকার অন্যান্য সেক্টরে মনোযোগ দেবার কারণে এ সেক্টরে বেশী সময় হয়ত পায় না৷ তবে আজকের এ মতবিনিয় সভার পর মাননীয় অর্থমন্ত্রীর উদ্যোগ এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যানের কর্মকান্ডে সামনের দিনে বাজার ভাল হতে পারে বলে মিনহাজ ইমন আশা প্রকাশ করেন।

শেয়ারবার্তা / হামিদ

বন্ধ করতে হবে কোম্পানির মন্দ আর্থিক প্রতিবেদন, আইপিও না: মিনহাজ ইমন

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেছেন, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ভাল ও মন্দ উভয় কোম্পানি আসে। তাই বলে আইপিও বন্ধ করা যাবে না। বন্ধ করতে হবে কোম্পানির মন্দ আর্থিক প্রতিবেদন।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) শেরে বাংলানগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে শেয়ারবাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামালকে উদ্দেশ্য করে তিনি এ কথা বলেন৷

ইমন বলেন, আমরা কথায় কথায় শেয়ারবাজারে ভাল মানের আইপিও আসছে না বলে থাকি৷ আসলে ভাল মানের আইপিও বলতে কিছু নেই৷ আইপিওতে যেসব কোম্পানি আসে তাদের আর্থিক প্রতিবেদনের মান নিয়ে আমরা বলতে পারি৷ প্রসপেক্টাসে যে আর্থিক প্রতিবেদন থাকে, সেটা কোম্পানি তৈরি করে৷ ইস্যু ম্যানেজার তা নিয়ে আসে এবং অডিটর সেটায় স্বাক্ষর করে।

তিনি বলেন, বাজারে আসার আগে আর্থিক প্রতিবেদনে কোম্পানির যে তথ্য থাকে, আইপিও আসার ২-৩ বছর পর সেই চিত্রটা থাকে না। বিনিয়োগকারী এই জায়গায় আস্থাটা প্রতিনিয়ত হারাচ্ছে৷

অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করে ডিএসইর এই পরিচালক বলেন, আর্থিক প্রতিবেদন সংক্রান্ত যদি কোন সন্দেহ থাকে এবং বাজারের কোন স্টেকহোল্ডার, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আর্থিক প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন সন্দেহ প্রকাশ করে, তবে সেই সন্দেহটা উৎঘাটন করার একটি সুষ্ঠু প্রক্রিয়া আমরা আপনার কাছে চাই৷ কোন আর্থিক প্রতিবেদনে সন্দেহ থাকলে, সে আর্থিক প্রতিবেদন পুনঃতদন্ত করার একটি দরজা আপনাকে খোলা রাখতে হবে৷ এ বিষয়ে করণীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আপনাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

ডিএসইর এই পরিচালক বলেন, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছে যে আর্থিক প্রতিবেদন আসে, তারা কিন্ত এটাকে বিশ্বাস করতে চায়৷ কিন্ত উদ্যোক্তা টাকা তুলে নেবার পরে মনিটরিংয়ের অভাবে বা মনিটরিং করার পরেও যদি কোম্পানির আর্থিক অবস্থা খারাপ হয়, তখন বিএসইসি’র তেমন কিছু করার থাকে না৷ তাই আইপিও দেওয়ার আগে যদি ভাল কোন ভূমিকা রাখতে পারি, সেক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী টাকাও হারাবে না, আস্থার জায়গাও নষ্ট হবে না।

সবশেষে তিনি বলেন, শেয়ারবাজারের যেসব বিনিয়োগকারী আছে, তারা বাজারের উপর আস্থা প্রতিনিয়ত হারিয়েছেন এবং হারাচ্ছেন৷ আলোচনা অনেক হয়। কিন্ত বিনিয়োগকারীরা হাতে কিছু পায় না৷ মাননীয় অর্থমন্ত্রীবাজার সম্পর্কে সব সময় আগ্রহ প্রকাশ করেন৷ অথবা সরকার অন্যান্য সেক্টরে মনোযোগ দেবার কারণে এ সেক্টরে বেশী সময় হয়ত পায় না৷ তবে আজকের এ মতবিনিয় সভার পর মাননীয় অর্থমন্ত্রীর উদ্যোগ এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যানের কর্মকান্ডে সামনের দিনে বাজার ভাল হতে পারে বলে মিনহাজ ইমন আশা প্রকাশ করেন।

শেয়ারবার্তা / হামিদ

বাজার বিশ্লেষণ এর সর্বশেষ খবর

উপরে