ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬

কারসাজির ১২ কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের রক্তরক্ষণ

২০১৯ সেপ্টেম্বর ১৪ ১২:৩৫:৩১
কারসাজির ১২ কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের রক্তরক্ষণ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১২ কোম্পানির শেয়ারে কারসাজির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং অভিযুক্ত ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শাস্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এসব শেয়ারের কারসাজিকারিরা হাতিয়ে নিয়েছে শত শত কোটি টাকা। গুজব ও প্রলোভন দেখিয়ে সর্বশান্ত করেছে শত শত বিনিয়োগকারীকে। শেয়ারগুলোতে চলছে এখনো বিনিয়োগকারীদের অবর্ণনীয় আহাজরি ও রক্তক্ষরণ।

কারসাজির ১২ কোম্পানি হলো-মুন্নু সিরামিক, মুন্নু স্টাফলার্স, ইউনাইটেড পাওয়ার, ভিএফএস থ্রেড ডাইং, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, এসএস স্টিল, ইনটেক লিমিটেড, সায়হাম টেক্সটাইল, সায়হাম কটন, রূপালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, আইসিবি ও ডাচ-বাংলা ব্যাংক।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছর জুলাই থেকে (কিছু কিছু কোম্পানি তারও আগে থেকে) শুরু হয় এসব কোম্পানির শেয়ারে কারসাজি। সিরিজ ট্রেডিং ও সার্কুলার ট্রেডিং করে বাড়াতে থাকে কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত প্রায় সবগুলো কোম্পানির শেয়ার দর আকাশচুম্বী করা হয়। এ সময়ে নানা গুজব ও মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছড়িয়ে কোম্পানিগুলোর শেয়ারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করা হয় এবং তাদের কাঁধে চাপাতে থাকে চড়া দরে এসব কোম্পানির শেয়ার। তারপর যখন সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাঁধে কম দরের শেয়ার চড়া দরে ছাপিয়ে কারসাজিকারিরা নিরাপদে সটকে পড়ে, তখন নিয়ন্ত্রক সংস্থা নড়েচড়ে বসে এবং তদন্ত কমিটির প্রহসনে নামে। চলতি বছরের ২১ জুলাই নিয়ন্ত্রক সংস্থা যখন কোম্পানিগুলোর শেয়ার দরে কারসাজি খুঁজতে তদন্ত কমিটি করে, তখন কোম্পানিগুলোর সিংহভাগ শেয়ারই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। আর তদন্ত কমিটি গঠনের পর কোম্পানিগুলোর শেয়ার দরে শুরু হয় পতনের মাতম।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, তদন্ত কমিটি গঠনের প্রায় এক মাসের মধ্যে ১২টি কোম্পানির মধ্যে প্রায় সবগুলোর শেয়ার দর বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়। পরবর্তী পর্যায়ে ৭টি কোম্পানির শেয়ার নিয়ে নতুন করে কারসাজি শুরু হওয়ায় কোম্পানিগুলোর শেয়ার দরে ঊর্ধ্বগতি ফিরে আসে। কিন্তু ৫টি কোম্পানির শেয়ার দরে পতন চলতেই থাকে। এই ৫টি কোম্পানির শেয়ার বর্তমানে বছরের সর্বনিম্ন দরে লেনদেন হচ্ছে। কোম্পানিগুলো হলো-ভিএফএস থ্রেড ডাইং, আইসিবি, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, আইপিডি এবং রূপালী লাইফ ইন্সুরেন্স। এরমধ্যে ভিএফএস থ্রেড ডাইংয়ের শেয়ার গত বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) তলানিতে নেমে যায়। এদিন কোম্পানিটির শেয়ার দর ২৪.৩০ টাকায়ও লেনদেন হয়। দিনশেষে দর দাঁড়ায় ২৪.৯০ টাকা। যা ছিল পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পর কোম্পানিটির সর্বনিম্ন শেয়ার দর।

মুন্নু সিরামিক : ২০১৭ সালের জুলাই মাসে মুন্নু সিরামিকের শেয়ার দর ছিল ৪০ টাকার নিচে। ৩ মার্চ ২০১৯ তারিখে এর সর্বোচ্চ দর উঠে ৪৪১ টাকা। সর্বোচ্চ দরে লেনদেনের সময় কোম্পানিটির কিছু মূল্য সংবেদনশীল কিছু তথ্য প্রকাশ পায়। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির ভবিষ্যত স্বপ্নে বিভোর হয়ে বিনিয়োগে এগিয়ে আসে। আর কারসাজিকারিরা এবং মুন্নু সিরামিক কর্তৃপক্ষ চড়া দরে তাদের শেয়ার বিক্রি করতে থাকে। তারপর চলে পতনের মহড়া। এক পর্যায়ে ২১ জুলাই ২০১৯ কোম্পানিটির শেয়ার দর ১১৮ টাকায় নেমে আসে। যদিও ওইদিন ক্লোজিং দর ছিল ১২৮.৮০ টাকা। কিছুদিন কোম্পানিটির শেয়ার দর নিম্নদরে লেনদেনের পর আবারও শুরু হয় নতুন কারসাজি। দেড় মাসের কম সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে এর শেয়ার দর ২৪৫ টাকার উপরে তোলা হয়। যদিও সেদিন ক্লোজিং দর ছিল ২৩৭.৭০ টাকা। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার শেয়ারটির ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ২০৯.২০ টাকায়। দফায় দফায় চড়া দরে কেনা কোম্পানিটির শেয়ায় এখন বিনিয়োগকারীদের গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়িয়েছে।


মুন্নু স্ট্যাফলার্স :২০১৭ সালের জুলাই মাসে মুন্নু স্ট্যাফলার্সের শেয়ার দর ছিল ৪০০ টাকার নিচে। যা ১৫ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে লভ্যাংশ ঘোষনার দিন শেয়ারটির দর উঠে ৫৬৩৪ টাকায়। ঘোষিত লভ্যাংশ সমন্বয়ের পর পহেলা জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে এর দর দাঁড়ায় ১৪৩৫ টাকা। এরপর পতনের কবলে পড়ে ২১ জুলাই ২০১৯ তারিখে ৬৪০ টাকার নিচে নেমে যায়। তারপর আবারও শুরু হয় শেযারটি নিয়ে নতুন কারসাজি। পৌনে দুই মাসের মাথায় গত ১১ সেপ্টেম্বর এর শেয়ার দর ২০৪৫ টাকায় তোলা হয়। যা গত এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার দর কিছুটা সংশোধন হয়ে দাঁড়ায় ১৯৬৭.৯০ টাকায়। বড় ধরনের অস্থিরতার মধ্যে চলছে কোম্পানিটির লেনদেন।

ইউনাইটেড পাওয়ার :২০১৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ইউনাইটেড পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন হয় ১৫০ টাকার নিচে। যা সাত মাসের মাথায় (৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮) ৩৭৫ টাকার উপরে উঠে যায়। ওইদিন শেয়ারটির ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছিল ৩৬৩.৮০ টাকায়। তারপর ৮ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে এর দর আবার ২৬৫ টাকার নিচে নেমে যায়। সেদিন ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ২৭১.৯০ টাকা। তারপর বিদেশি কোম্পানির কাছে শেয়ার বিক্রির গুজব ছড়িয়ে আবার শুরু হয় শেয়ারটি নিয়ে কারসাজি। ২০ ফেব্রয়ারি ২০১৯ তারিখে এর দর ৪৩০ টাকার উপরে নিয়ে যাওয়া হয়। দিনশেষে ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ৪১৯.১০ টাকা। তারপর বিদেশি কোম্পানির কাছে শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব নাকচ হলে চলে টানা পতন। এক পর্যায়ে ২৫ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে শেয়ারটির দর ২৭০ টাকার নিচে নেমে যায়। ওইদিন ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ২৮১.১০ টাকা। তারপর লভ্যাংশ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আবারও ঊর্ধ্বগতি। ২২ আগস্ট ২০১৯ তারিখে এর শেয়ার দর ৪১০ টাকার উপরে তোলা হয়। লভ্যাংশ এ্যাডজাস্ট হওয়ার পর সর্বশেষ বৃহস্পতিবার এর ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ৩২১.১০ টাকা।

ভিএফএস থ্রেড ডাইং : গতবছরের ৯ সেপ্টেম্বর ভিএফএস থ্রেড ডাইংয়ের লেনদেন শুরু হয়। প্রথমদিন কোম্পানিটির শেয়ার ২৭ টাকা থেকে ৩৯ টাকায় লেনদেন হয়। প্রথমদিন ক্লোজিং হয় ৩১ টাকায়। এরপর বাড়তে থাকে এর শেয়ার দর। দুই মাসের মাথায় ৭ নভেম্বর ২০১৮ এর শেয়ার দর ৬৮ টাকায় তোলা হয়। যদিও ওইদিন শেয়ারটির ক্লোজিং দর ছিল ৬২.১০ টাকা। তারপর ১৩ নভেম্বর শেয়ারটির দর ৫২ টাকায় নামানো হয়। তারপর আবারও ঊর্ধ্বগতি। ১১ ডিসেম্বর শেয়ারটি ৬৫ টাকার উপরে তোলা হয়। এরপর আবার নিম্নগতি। ১৫ মে ২০১৯ তারিখে দর ৪৯ টাকার নিচে নেমে যায়। ১৩ জুন ২০১৯ তারিখে দর আবারও ৫৬ টাকার উপরে তোলা হয়। তারপর থেকেই টানা পতন। গত সপ্তাহে ২০১২ সালে বিনিয়োগ করা প্লেসমেন্টের ২ কোটি শেয়ার বিক্রিযোগ্য হওয়ার খবরে পতন আরও উপচে পড়ে। বিদায়ী সপ্তাহে এবং আগের সপ্তাহে এটি ছিল দরপতনের শীর্ষ তালিকায় অন্যতম কোম্পানি। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার এর দর ২৪.৩০ টাকায় নেমে যায়। দিনশেষে ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ২৪.৯০ টাকা। এদিন ছিল পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পর সর্বনিন্ম দর। বিদায়ী সপ্তহের চার কার্যদিবেসে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটির ৮৫ লাখের বেশি শেয়ার লেনদেন হতে দেখা যায়।

সায়হাম টেক্সটাইল : গত বছর ১৯ জুন সায়হাম টেক্সটাইলের দর ছিল ১৮ টাকার নিচে। ওইদনি এর ক্লোজিং দর ছিল ১৮.৮০ টাকা। পাঁচ মাসের মাথায় (২৯ নভেম্বর ২০১৮) শেয়ারটির দর সাড়ে তিনগুনের বেশি বাড়িয়ে ৬৬ টাকায় তোলা হয়। সেদিন এর ক্লোজিং দর ছিল ৬৪.৬০ টাকা। এরপর পহেলা জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে এর দর ৫০ টাকার নিচে নেমে আসে। ১৯ ফেব্রুয়ারি আবারও এর দর ৬৪ টাকার উপরে তোলা হয়। ওইদিন ক্লোজিং দর ছিল ৬৩.৭০ টাকা। তারপর টানা পতন। ২১ জুলাই ২০১৯ তারিখে ৩৭ টাকার নিচে নেমে যায়। দিনশেষে ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ৩৮.৬০ টাকা। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার এর ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ৪২ টাকায়।

সায়হাম কটন : গত বছর ২৮ অক্টোবর সায়হাম কটনের শেয়ার দর ছিল ১৩ টাকার নিচে। ওইদিন শেয়ারটির ক্লোজিং দর ছিল ১৩.৭০ টাকা। যা ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে ৩৩ টাকার উপরে লেনদেন হয়। দিনশেষ ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ৩১.৬০ টাকা। তারপর টানা পতন। ১০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে এর দর ২০ টাকার নিচে নেমে যায়। দিনশেষে ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ২১.৭০ টাকায়। তারপর আবারও বিনা কারণে ঊর্ধ্বগতি। ২৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে ২৯ টাকার উপরে উঠে যায়। সেদিন এর ক্লোজিং দর ছিল ২৭.৫০ টাকা। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার এর ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ২৩.৭০ টাকা।

এসএস স্টিল : চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি এসএস স্টিলের লেনদেন শুরু হয়। প্রথমদিন এর শেয়ার ৪৪ টাকা থেকে ৫৫ টাকার মধ্যে লেনদেন হয়। প্রথমদিন ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ৫০.১০ টাকা। তারপর টানা পতন। ২২ জুলাই ২০১৯ তারিখে এর দর ২১ টাকার নিচে নেমে যায়। ওইদিন ক্লোজিং দর ছিল ২২.৫০ টাকা। তারপর অকারণে আবারও ঊর্ধ্বগতি। ৫ সেপ্টেম্বর এর দর টেনে ৩৫ টাকার উপরে তোলা হয়। সেদিন ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ৩৩.৪০ টাকায়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার এর ক্লোজিং দর হয়েছে ৩২.৭০ টাকায়।

ইনটেক লিমিটেড : গত বছরের ২৮ জুন ইনটেক লিমিটেডের শেয়ার দর ছিল ১৭ টাকার নিচে। তিন মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে ১৯ সেপ্টেম্বর এর দর ৭০ টাকার উপরে উঠে যায়। কিন্তু মাত্র এক মাসের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে দর অবিশ্বাস্যভাবে কমে যায়। এই সময়ের মধ্যে এর দর ২৯ টাকার নিচে নেমে যায়। তারপর আবারও ঊর্ধ্বগতি। এক মাসের কম সময়ের মধ্যে ৬৮ টাকার ঘরে চলে যায়। গত ২১ জুলাই তারিখে এর শেয়ার দর ২৩ টাকার নিচে চলে আসে। তারপর আবারও ঊর্ধ্বগতি। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার এর ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ২৭.২০ টাকায়।

রূপালী লাইফ ইন্সুরেন্স : গত বছর ২১ অক্টোবর সায়হাম কটনের শেয়ার দর ছিল ৩৬ টাকার নিচে। ওইদিন শেয়ারটির ক্লোজিং দর ছিল ৩৮.৬০ টাকা। সাড়ে তিন মাসের মাথায় (২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯) এর দর তোলায় হয় ১১৫ টাকার উপরে। ওইদিন এর ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ১১০ টাকা। তারপর টানা পতন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার এর ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ২৩.৭০ টাকা। এটি বছরের সর্বনিম্ন দর।

আইসিবি : চলতিবছরের ৩০ এপ্রিল আইসিবি শেয়ার দর ছিল ১০৫.১০ টাকা। ১৬ জুন ২০১৯ তারিখে এর দর উঠে ১৩০ টাকার উপরে। দিনশেষে ক্লোজিং দর ছিল ১২৪.১০ টাকা। এরপর থেকে টানা পতন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার এর ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ৯৯ টাকায়। এটি ছিল বছরের সর্বনিম্ন দর। কোম্পানিটির বিরুদ্ধে রয়েছে সিরিজ ট্রেডিং ও শর্ট সেলিংয়ের অভিযোগ।

ডাচবাংলা ব্যাংক : গত বছরের ২২ জুলাই ডাচ-বাংলা ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১০৮ টাকার নিচে। ওইদিন ক্লোজিং ক্লোজিং দর ছিল ১১৩.৯০ টাকা। এরপর দর বাড়তে থাকে। লভ্যাংশ ঘোষণার আগের সপ্তাহে এর দর ১৮০-২০০ টাকার মধ্যে ঘুরাফেরা করে। লভ্যাংশ ঘোষণার দিন ( ১৮ মার্চ ২০১৯) এর দর ২৪৫ টাকা পর্যন্ত উঠে। দিনশেষে ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ২২২ টাকা। তারপর থেকে দর সংশোধন। লভ্যাংশ এ্যাডজাস্ট হয়ে লেনদেন হয় ৮২ টাকার উপরে। তারপর আবারও পতন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার এর ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ৬৬.৩০ টাকায়। যদিও এর আগে সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ৬৪ টাকায় লেনদেন হয়।

শেয়ারবার্তা / হামিদ

সংবেদনশীল তথ্য এর সর্বশেষ খবর

উপরে