ঢাকা, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬

‘বিনিয়োগকারীরা যেন লাভবান হয় সেই চেষ্টা থাকবে’- সিলকো ফার্মার পরিচালক

২০১৯ জুন ১৩ ১২:২২:৫৯
‘বিনিয়োগকারীরা যেন লাভবান হয় সেই চেষ্টা থাকবে’- সিলকো ফার্মার পরিচালক

সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা যাতে লাভবান হয় সেই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. বদরুল হক রুকন। লেনদেন শুরু আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। এ সময় ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম মাজেদুর রহমান , কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন।

বদরুল হক বলেন, আমাদের কোম্পানির পরিচালনায় যারা রয়েছে তারা সবাই পেশাগতভাবে চিকিৎসক। তাই এ কোম্পানির উন্নয়নে সবার চেস্টা অব্যাহত থাকবে। এর ফলে কোম্পানির প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে আশা করছি।

ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম মাজেদুর রহমান বলেন, আপনাদের কোম্পানির আজ থেকে বাজারে লেনদেন শুরু হয়েছে। আমি আহ্বান করবো আপনারা সব সময় শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থকে প্রাধান্য দেবেন। সেই সঙ্গে কোম্পানির সুশাসন বজায় রাখবেন। একই সঙ্গে কমপ্লায়েন্স পরিপালন করবেন।

এদিকে, কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ২৬ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন শুরু হয়েছে। এন ক্যাটাগরির আওতায় লেনদেন শুরু করা সিলকো ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের ডিএসইতে কোম্পানি ট্রেডিং কোড“SILCOPHL”। আর কোম্পানি কোড হবে 18495।

কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদনকারীদের মধ্যে বরাদ্দ দেয়া শেয়ার গত ৭ মে শেয়ারহোল্ডারদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাবে জমা হয়। এছাড়া গত ১০ এপ্রিল লটারির মাধ্যমে কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হয়।

কোম্পানির আইপিওতে গত ৭ মার্চ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। কোম্পানিটির শেয়ার কেনার জন্য ৯২৩টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন করা হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা নিউ লাইন ক্লোথিংসে ৮৯৯টি ও তৃতীয় জেনেক্স ইনফোসিসে ৮৪৩টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন করা হয়। এরপরে অবস্থানে থাকা এসএস স্টিলে ৮২৮টি, কাট্টালি টেক্সটাইলে ৭৭১টি ও ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসে ৭৫৭টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন করে।

তথ্যমতে, কোম্পানিটি ৩ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। বাজার থেকে পুঁজি উত্তোলন করে কোম্পানিটি কারখানা ভবন নির্মাণ, যন্ত্রপাতি ক্রয়, ডেলিভারী ভ্যান ক্রয় ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।
কোম্পানিটির ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি নীট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৪১ পয়সা। ৫টি আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী ভারিত গড় হারে শেয়ার প্রতি মুনাফা (ওয়েটেড এভারেজ ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৬ পয়সা।

কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড, সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন(বিএসইসি) ৬৬৯তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়।

শেয়ার বার্তা/ সাগর

সংবেদনশীল তথ্য এর সর্বশেষ খবর

উপরে