ঢাকা, শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

কপারটেকের আইপিও শেয়ার বিও অ্যাকাউন্টে জমা

২০১৯ জুন ১১ ১০:৩৯:৪২
কপারটেকের আইপিও শেয়ার বিও অ্যাকাউন্টে জমা

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারিতে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার গত রবিবার, ৯ জুন সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের বিও অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। সেই লাটারির ড্রতে পাওয়া শেয়ার সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের বিও অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে। গত ৩১ মার্চ চাঁদাগ্রহণ শুরু হয়, শেষ হয় ৯ এপ্রিল। এরআগে ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৭০তম সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদিত হয়।

আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে আসার প্রক্রিয়ায় থাকা কপারটেকের তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া নিয়ে এরই মধ্যে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের মধ্যে মতানৈক্য তৈরি হয়। কিন্তু সম্প্রতি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) পর্ষদ কোম্পানিটির তালিকাভুক্তিতে অনুমোদন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তারা কপারটেকের তালিকাভুক্তিতে অনুমোদন দেয়ার বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির মতামত জানার অপেক্ষায় রয়েছে।

উল্লেখ্য, কপারটেকের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন অসঙ্গতি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। কোম্পানিটির নিরীক্ষক হিসেবে ছিল আহমদ অ্যান্ড আখতার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস।

কপারটেকের আর্থিক প্রতিবেদনের অসঙ্গতির বিষয়ে যাচাই-বাছাইয়ের উদ্যোগ নেয় ডিএসই ও ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি)। এর মধ্যে ডিএসই কপারটেকের বিষয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ বিএসইসির কাছে পাঠিয়ে এ বিষয়ে তাদের মতামত জানতে চেয়েছে। অন্যদিকে এফআরসি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশকে (আইসিএবি) আহমদ অ্যান্ড আখতারের বিষয়টি পুনর্নিরীক্ষার নির্দেশ দেয়। আইসিএবি নিরীক্ষকের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়ে পাঠালেও আহমদ অ্যান্ড আখতারের পক্ষ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পেয়ে এফআরসিকে জানায়, আইসিএবির পক্ষে পুনর্নিরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। পরবর্তীতে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আইসিএবিকে চিঠি দিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়।

সম্প্রতি আহমদ অ্যান্ড আখতারকে চিঠি দিয়ে জানায় যে তাদের একজন নিরীক্ষকের অবসরের কারণে তারা পার্টনারশিপ ফার্ম থেকে প্রোপ্রাইটরশিপ ফার্মে রূপান্তরিত হয়েছে। ফলে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানটি এখন থেকে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন নিরীক্ষা করতে পারবে না। পরবর্তীতে আইসিএবি নিরীক্ষা ফার্মটির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো তদন্তের দায়িত্ব তাদের ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড ডিসিপ্লিনারি কমিটির (আইডিসি) কাছে অর্পণের সিদ্ধান্ত নেয়।

শেয়ার বার্তা/ সাগর

সংবেদনশীল তথ্য এর সর্বশেষ খবর

উপরে