ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

জুলাইয়ের মধ্যে উৎপাদনে আসতে পারছে না ডরিনের বিদ্যুৎকেন্দ্র

২০১৯ জুন ০৮ ১১:৪৮:১৫
জুলাইয়ের মধ্যে উৎপাদনে আসতে পারছে না ডরিনের বিদ্যুৎকেন্দ্র

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমসের চাঁদপুরের ১১৫ মেগাওয়াট সক্ষমতার এইচএফও-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসতে পারছে না। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিব) সঙ্গে করা চুক্তি অনুসারে চলতি বছরের ১৬ জুলাই এর মধ্যে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর কথা ছিল। তবে জার্মান প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জেনারেটর পেতে দেরি হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনে আসতে পারছে না।

কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, আগামী জুলাই থেকে চাঁদপুরের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনে আসার কথা ছিল। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য জার্মানি থেকে মূল যে জেনারেটরটি আনার কথা ছিল, সেটি গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন সংক্রান্ত কাজে বেশি সময় লেগেছে। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জার্মানির প্রতিষ্ঠান থেকে জেনারেটর সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। আর এ কারণে জুলাইয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন শুরু করা যাচ্ছে না। তবে এ বছরের ডিসেম্বরে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করা যাবে।

এর আগে গত এপ্রিলে চাঁদপুরে নির্মাণাধীন ১১৫ মেগাওয়াট সক্ষমতার এইচএফও-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে নিজেদের বিনিয়োগ ৬০ শতাংশ থেকে ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয় ডরিন পাওয়ারের পরিচালনা পর্ষদ। সাবসিডিয়ারি কোম্পানিটির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৩ লাখ ৯৯ হাজার শেয়ার ৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকায় কিনে শেয়ারহোল্ডিং ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত করবে তারা। এ শেয়ারগুলো গ্রুপের অন্য কোম্পানি ডরিন পাওয়ার হাউজ অ্যান্ড টেকনোলজিস লিমিটেডের কাছ থেকে কিনে নেবে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি।

ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডর তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই–মার্চ,১৮) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫ টাকা ৩২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫ টাকা ৫৩ পয়সা।

এদিকে শেষ ৩ মাসে (জানুয়ারি-মার্চ,১৮) কোম্পানির আয় হয়েছে ১ টাকা ৪৫ পয়সা। আগের বছর একই সময় আয় ছিল ১ টাকা ৭২ পয়সা। ৩১ মার্চ শেষে শেয়ার প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৪১ টাকা ৬২ পয়সা।

২০১৬ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৬৬.৬১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকের কাছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২২.০৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে দশমিক ০৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১১.২৫ শতাংশ শেয়ার।

শেয়ারবার্তা / শহিদুল ইসলাম

সংবেদনশীল তথ্য এর সর্বশেষ খবর

উপরে