ঢাকা, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬

আবারও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে বিএসইসি

২০১৯ মে ১৬ ১৪:০০:১১
 আবারও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে বিএসইসি

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ফের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), ডিএসই ব্রোকার অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনকে (বিএমবিএ) বৈঠকে ডেকেছে তারা।আজ দুপুর আড়াইটায় এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং বিএসইসি যেসব সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে, সে সম্পর্কে স্টেকহোল্ডারদের অবহিত করা হবে।

উল্লেখ, গত জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে শেয়ারবাজারে টানা দর পতন চলতে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করে বিএসইসি। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল করণীয় সম্পর্কে বিএসইসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে নানা দিক নির্দেশনা দেন। স্টেকহোল্ডারদের দাবি এবং উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে বিএসইসি বেশ কিছু বিধিবিধান পরিবর্তন ও সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয়।

গত ২৯ এপ্রিল স্টেকহোল্ডারদের ডেকে নিয়ে এসব সংস্কারের বিষয় জানিয়ে দেয় বিএসইসি।

বিএসইসির ঘোষণা অনুসারে, এখন থেকে স্টক এক্সচেঞ্জের বাইরে থাকা কোম্পানিগুলোর মূলধন বাড়ানোর (Capital Raise) বিষয়ে বিএসইসি থেকে কোনো অনুমোদন নিতে হবে না। এই ধরনের শেয়ারে (যা সাধারণভাবে প্লেসমেন্ট শেয়ার নামে পরিচিত) ৩ বছরের লক-ইন থাকবে। অর্থাৎ আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর ৩ বছর পর্যন্ত প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করা যাবে না। আর এই ৩ বছরের মেয়াদ গণনা শুরু হবে স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরুর দিন থেকে। বর্তমান আইনে প্লেসমেন্ট শেয়ারে লক-ইনের মেয়াদ ১ বছর। আর এই মেয়াদকাল গণনা শুরু হয় প্রসপেক্টাস অনুমোদনের দিন থেকে।

অন্যদিকে ক্যাপিটাল ইস্যু রুল, ২০১৫ সংশোধন করে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতির ন্যুনতম আইপিওর আকার ৫০ কোটি এবং বুকবিল্ডিং পদ্ধতির ন্যুনতম আইপিওর আকার ১০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হবে। এমনকি পরিশোধিত মূলধনের ভিত্তিতে আইপিওর ন্যুনতম আকার এরচেয়ে বেশিও হতে পারে। কারণ নির্দেশনা জারির সময় কমিশন কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ কিংবা ৫০ কোটি ও ১০০ কোটির মধ্যে যেটি সর্বোচ্চ হবে, সে পরিমাণ অর্থ উত্তোলন সংক্রান্ত শর্ত আরোপ করে দেবে।

স্টক লভ্যাংশ (বোনাস) দেওয়ার ক্ষেত্রে এর কারণ জানাতে হবে। যে টাকার বিপরীতে যে মূলধন বাড়ানো হবে, সেটি ব্যবসা সম্প্রসারণ অথবা বিএমআরই- যে কাজে ব্যয় করা হবে, সে বিষয়ে ইস্যুয়ার কোম্পানিকে ব্যাখ্যা দিতে হবে। পাশাপাশি এটি মূল্যসংবেদনশীল তথ্য হিসেবে প্রকাশ করতে হবে।

তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের এককভাবে ২ শতাংশ ও সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণসংক্রান্ত বিএসইসির যে নির্দেশনা রয়েছে, সেটি পরিপালনে ব্যর্থ কোম্পানিগুলোর জন্য স্বতন্ত্র ক্যাটাগরি তৈরি করে সেখানে স্থানান্তর করা হবে।

শেয়ার বার্তা/ সাগর

সংবেদনশীল তথ্য এর সর্বশেষ খবর

উপরে