ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

বিদ্যুৎ খাতে নয় মাসে মুনাফা প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা

২০১৯ মে ১৪ ১৫:০৬:৩৬
বিদ্যুৎ খাতে নয় মাসে মুনাফা প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা

শেয়ারবাজারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা ১৭টি। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতের নয়টি এবং জ্বালানি খাতের আটটি কোম্পানি রয়েছে। কোম্পানিগুলোর ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, এ সময়ে কোম্পানিগুলোর মোট রাজস্ব আয় হয়েছে ২২ হাজার ৩০১ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতের নয় কোম্পানির রাজস্ব আয় ছিল ৯ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা, আর জ্বালানি খাতের ৮ কোম্পানির রাজস্ব আয় হয়েছে ১২ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা। যদিও ২০১৭-১৮ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলো ৭ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা এবং জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোর ১২ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছিল। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলোর রাজস্ব আয় বেড়েছে ১ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা বা ২২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আর জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোর রাজস্ব আয় বেড়েছে ৮৯ কোটি টাকা বা দশমিক ৭০ শতাংশ।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোর রাজস্ব বাড়ার কারণে কর-পরবর্তী মুনাফাও বেড়েছে। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১৭ কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতের নয়টি কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৮০১ কোটি টাকা, আর জ্বালানি খাতের আট কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৪৯ কোটি টাকা। যদিও ২০১৭-১৮ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোর মুনাফা ছিল ২ হাজার ২৩৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলো ১ হাজার ২৪০ কোটি এবং জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলো ৯৯৩ কোটি টাকা মুনাফা করেছিল। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোর কর-পরবর্তী মুনাফা বেড়েছে ৬১৭ কোটি টাকা বা ২৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলোর মুনাফা বেড়েছে ৫৬১ কোটি টাকা বা ৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোর মুনাফা বেড়েছে ৫৬ কোটি টাকা বা ৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ রাজস্ব আয় বেড়েছে সামিট পাওয়ারের। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির রাজস্ব আয় হয়েছে ২ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ২৩৪ কোটি টাকা। এর বিপরীতে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪১ শতাংশ বেড়ে ৫৩৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে সামিট করপোরেশনের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ফয়সাল খান বলেন, গাজীপুরের কড্ডার দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হওয়ার সুবাদে চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে আমাদের রাজস্ব ও মুনাফায় ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে সামনের দিনগুলোয় কোম্পানির এ প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

সামিটের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ইউপিজিডিএল), ৮৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির রাজস্ব আয় হয়েছে ৮৪৬ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪৫৩ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা আগের বছরের তুলনায় ৮৭ দশমিক ৩১ শতাংশ বেড়ে ৬২৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

জানতে চাইলে ইউনাইটেড পাওয়ারের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ইবাদত হোসেন ভূইয়া বলেন, বিদ্যুৎ খাত সরকারের অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে রয়েছে। এ খাতের উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে অনেক ধরনের প্রণোদনা দেয়া হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে এ খাতের প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। আমরা সব সময় ফান্ডামেন্টাল, গ্রোথ ও ডিভিডেন্ড পে আউট—এ তিনটি জিনিসকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি, যাতে করে শেয়ারহোল্ডাররা ভালো রিটার্ন পান। আমাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মেইনটেন্যান্স এমনভাবে করে থাকি, যাতে করে এখান থেকে সর্বোচ্চটা পাওয়া যায়। পাশাপাশি দক্ষতার সঙ্গে আমরা ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করছি। এসব কারণে আমাদের রাজস্ব ও মুনাফায় ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

বিদ্যুৎ খাতের তালিকাভুক্ত আরেক কোম্পানি বারাকা পাওয়ারের রাজস্ব আয় ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে ১৬ দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়ে ৩০০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। আর এ সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা ৯ দশমিক ১৪ শতাংশ কমে ৩৪ কোটি টাকা হয়েছে।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিক শেষে বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোম্পানি পাওয়ার গ্রিডের রাজস্ব আয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ১৩৬ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির রাজস্ব আয় বেড়েছে ১১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফার পরিমাণ ছিল ২৬৭ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি।

বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি ডেসকোর রাজস্ব আয় চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭৮ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১০ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের রাজস্ব আয় হয়েছে ৫১১ কোটি টাকা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪৭৭ কোটি টাকা। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির রাজস্ব আয় বেড়েছে ৭ দশমিক ১৯ শতাংশ। তবে রাজস্ব আয় বাড়লে আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমে ৬২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

ডরিন পাওয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোস্তফা মইন বলেন, চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হওয়ার কারণে মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমে গেছে। তবে বছরের শেষ প্রান্তিকে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি মুনাফাও বাড়বে বলে আশা করছি।

তালিকাভুক্ত আরেক প্রতিষ্ঠান জিবিবি পাওয়ারের রাজস্ব আয় চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়ে ৪১ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫ কোটি টাকা। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে ৩১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (এসপিসিএল) রাজস্ব আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেড়ে ৫৪৪ কোটি টাকা হয়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ৫৯ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ কম।

বিদ্যুৎ খাতের কোম্পাানিগুলোর মধ্যে রাজস্ব আয় ও কর-পরবর্তী মুনাফা দুটোই কমেছে খুলনা পাওয়ারের। চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির রাজস্ব আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৭ দশমিক ৩০ শতাংশ কমে ৬৪৬ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে কর-পরবর্তী মুনাফা আগের বছরের তুলনায় ১৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ কমে ১২২ কোটি টাকা হয়েছে।

সামিট করপোরেশনের এএমডি ফয়সাল খান খুলনা পাওয়ারের পর্ষদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কোম্পানিটির রাজস্ব ও মুনাফা কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, খুলনা পাওয়ারের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এটির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে কোনো রাজস্ব না আসার কারণেই চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানির রাজস্ব ও মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে জ্বালানি খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৮ দশমিক ৩২ শতাংশ রাজস্ব আয় বেড়েছে এমজেএলবিডির। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির রাজস্ব আয় হয়েছে ১ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ কমে ১৫৭ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

এমজেএলবিডির সহকারী কোম্পানি সচিব মীর মো. রকিবুল কবীর বলেন, আগে আমাদের একটি জাহাজ ছিল, বর্তমানে আরেকটি এসে যোগ হয়েছে। এতে জাহাজের জ্বালানি ব্যয় বেড়ে গেছে। তাছাড়া ডলারের দর বৃদ্ধি ও বন্দরের বিভিন্ন ধরনের ফি বাবদ ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে কোম্পানির খরচ বেড়েছে। ফলে চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিক শেষে রাজস্ব বাড়লেও কর-পরবর্তী মুনাফা কমে গেছে।

মেঘনা পেট্রোলিয়ামের রাজস্ব আয় চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়ে ১৮৭ কোটি টাকা হয়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা আগের তুলনায় ১৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেড়ে ২৩৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের রাজস্ব আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়ে ৫৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা আগের বছরের তুলনায় ১০০ শতাংশ বেড়ে ৫২ লাখ টাকা হয়েছে।

জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে পদ্মা অয়েল, তিতাস গ্যাস, ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং ও যমুনা অয়েলের রাজস্ব কমেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৭৫ দশমিক ২৩ শতাংশ রাজস্ব কমেছে ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টসের। চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির রাজস্ব আয় হয়েছে ৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের একই সময়ে তুলনায় ৯২ দশমিক ৯১ শতাংশ কমে ২ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন লিমিটেডের রাজস্ব আয় চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ কমে ৮১ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেড়ে ৬ কোটি ৯ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

তিতাস গ্যাসের রাজস্ব আয় চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিক শেষে ১০ হাজার ৬২০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১০ হাজার ৭৬২ কোটি টাকা। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির রাজস্ব কমেছে ১ দশমিক ৩২ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে তিতাস গ্যাসের কর-পরবর্তী মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়ে ২৮৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে যমুনা অয়েলের রাজস্ব আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ২০ শতাংশ কমে ১১৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ কমে ১৭৪ কোটি টাকা হয়েছে।

পদ্মা অয়েলের রাজস্ব আয় ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় ১ দশমিক ১১ শতাংশ কমে ১৯৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেড়ে ১৯৩ কোটি টাকা হয়েছে।


শেয়ারাবার্তা / মামুন

সংবেদনশীল তথ্য এর সর্বশেষ খবর

উপরে