ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

ব্যবসা সম্প্রসারণে ১৫ কোটি টাকা তুলবে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট

২০১৯ এপ্রিল ১৭ ১৮:৫৩:৩৭
ব্যবসা সম্প্রসারণে ১৫ কোটি টাকা তুলবে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট

ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য পুঁজিবাজারে আসছে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেড। কোম্পানিটি বাজার থেকে স্থিরমূল্য পদ্ধতিতে ১৫ কোটি টাকা উত্তোলন করতে চায়। উত্তোলিত ১৫ কোটি টাকার মধ্যে সিংহভাগ অর্থ ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যয় করা হবে। এই অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি রিসোর্টের বিভিন্ন কক্ষের ইনটোরিয়র, ফিনিশিং ও আসবাবপত্র ক্রয়, জমি ক্রয় এবং আইপিও বাবদ খরচ করবে। যার মধ্যে বিভিন্ন কক্ষের ইনটোরিয়র, ফিনিশিং ও আসবাবপত্র ক্রয় বাবদ খরচ হবে ১০ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। জমি ক্রয় বাবদ খরচ হবে ২ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আর আইপিও বাবদ খরচ হবে ১ কোটি ৬৫ লাখ ১২ হাজার টাকা।

কোম্পানিটির প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই, ১৮ -সেপ্টেম্বর,১৮) শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ১২ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে (এনএভি) ১০ টাকা ৬১ পয়সা।

৩০ জুন, ২০১৮ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫৩ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ১০ টাকা ১৮ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানি নিট মুনাফার পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩ কোটি ৩ লাখ টাকা।

কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা। আইপিও শেয়ার বাদে পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা। আর আইপিও শেয়ার ধরে পরিশোধিত মূলধন ১১৫ কোটি টাকা। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা।

কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৫০ লাখ। এর মধ্যে আইপিও শেয়ার দেড় কোটি, প্লেসমেন্ট/ অল্টারনেটিভ ফান্ডের শেয়ার ৪ কোটি ৬১ লাখ এবং উদ্যোক্তা পরিচালকের শেয়ার ৫ কোটি ৩৯ লাখ।

কোম্পানিটি ২০০৯ সালের ২৬ মে একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর কোম্পানিটি পাবলিক লিমিটেডে রূপান্তর হয়। আর ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু হয় কোম্পানিটির। এই ফাইভ স্টার হোটেলটি মূলত ২ ধরণের পণ্য/ সেবা প্রদান করে থাকে। সেবা ২টি হলো- রুম ও সিট সেবা এবং খাদ্য ও পনীয় সেবা। প্রতিষ্ঠানটির ৪৯৩টি রুম রয়েছে; যার মধ্যে ২৪১টি রুম সেবা প্রদানে ব্যবহার হচ্ছে। এ ছাড়াও রিসোর্টটিতে রয়েছে চিলড্রেন পার্ক, এমপিথিয়েটার, বিচ ফুটবল, থ্রিডি সিনেমা এবং অন্যান্য বিনোদন উপকরণ।

কোম্পানিটির রুম সার্ভিস থেকে ৫১.২২ শতাংশ এবং খাদ্য পনীয় থেকে ৪১.২৮ শতাংশ রেভিনিউ আসে। প্রতিযোগী কোম্পানির মধ্যে রয়েছে দ্য পেনিনসুলা চিটাগাং, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, লং বিচ হোটেল, হোটেল প্রাসাদ প্যারাডাইস, সায়মন বিচ রিসোর্ট, সিগাল হোটেল, হোটেল দ্য কক্স টুডে এবং ওশান প্যারাডাইস অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড।

সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পাকে বাজারে আনতে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে বানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারবার্তা / শহিদুল ইসলাম

আইপিও সংবাদ এর সর্বশেষ খবর

উপরে