ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

নতুন কেন্দ্র থেকে ডোরিন পাওয়ারের ৭০০ কোটি টাকা আয়

২০১৯ এপ্রিল ১৫ ২০:১৫:২১
নতুন কেন্দ্র থেকে ডোরিন পাওয়ারের ৭০০ কোটি টাকা আয়

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস এন্ড সিস্টেমস্ লিমিটেড চাঁদপুর পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেডের ৯৯.৯০ শতাংশ মালিকানা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন এ কেন্দ্রের ৭০ শতাংশ উৎপাদন ক্ষমতা ব্যবহার করলেও বছরে ৬০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকা আয় হবে বলে মনে করছে ডোরিন পাওয়ার কর্তৃপক্ষ।

ডরিন পাওয়ারের পরিচালনা পর্ষদ গত ১১ এপ্রিল ২০১৯ তারিখের সভায় চাঁদপুর পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেডের ৯৯.৯০ শতাংশ মালিকানা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তার আগে কোম্পানিটি চাঁদপুর পাওয়ারের ৬০ শতাংশ শেয়ারের মালিক ছিল।

কোম্পানির ঊর্ধতন কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে ডোরিন পাওয়ারের ১৭৬ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ৫টি পাওয়ার প্ল্যান্ট এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। আগামী অর্থবছরে ১১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন নির্মাণাধীন চাঁদপুর পাওয়ার বানিজ্যিক উৎপাদন শুরু করবে। এই পাওয়ার প্ল্যান্টটি গড়ে তার উৎপাদন ক্ষমতার ৭০ শতাংশ ব্যবহার করেই বাৎসরিক প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকা বিক্রয় আয় করবে। যা থেকে কোম্পানি বাৎসরিক প্রায় ৭০ থেকে ৮০ কোটি টাকা নীট মুনাফা অর্জন করতে পারবে বলে আশা করছে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। এই মুনাফার ৯৯.৯০ শতাংশ ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস এর বর্তমান আয়ের সাথে যুক্ত হবে।

কোম্পানিটির একই সভায় অন্যান্য সিদ্ধান্তের মধ্যে কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরিক্ষিত আর্থিক বিবরনী গৃহীত হয়। জানুয়ারী থেকে মার্চ ২০১৯ পর্যন্ত কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস ছিল ১.৪৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ১.৭২ টাকা।

তবে জুলাই ২০১৮ থেকে মার্চ ২০১৯ পর্যন্ত গত ৯ মাসে কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস ছিল ৫.৩২ টাকা। যা তার আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫.৫৩ টাকা। জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ কম হয়েছে। তাই কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় গত বছরের তুলনায় সামান্য কমেছে বলে কোম্পানি সূত্র জানায়।

কোম্পানীটি ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত হয়। বর্তমানে কোম্পানীটির মোট ১১ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার সাধারন শেয়ার রয়েছে । উক্ত শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে ৬৬.৬১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২১.৩৫ শতাংশ এবং সাধারন বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে বাকী ১২.০৪ শতাংশ শেয়ার।

গত ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে কোম্পানীটির বার্ষিক শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৭.৮৫ টাকা। ৩১ মার্চ ২০১৯ শেয়ার প্রতি নীট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাড়ায় ৪১.৬২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নীট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিপিএস) দাঁড়ায় ৬.৮২ টাকা। সর্বশেষ নিরীক্ষিত ইপিএস ও বাজার দরের ভিত্তিতে শেয়ারটির মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ১১.৫৫ এবং সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যা ১০.৬৬।

শেয়ারবার্তা / জুয়েল

অনুসন্ধানী রিপোর্ট এর সর্বশেষ খবর

উপরে