ঢাকা, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৯, ৭ বৈশাখ ১৪২৬

ইস্টার্ন কেব্লসের দর বেড়েছে ১২.৮৫ শতাংশ

২০১৯ এপ্রিল ১৩ ১০:৫৮:৫৭
ইস্টার্ন কেব্লসের দর বেড়েছে ১২.৮৫ শতাংশ

বিদায়ী সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে কম সংখ্যক কোম্পানির দর বেড়েছে। এর মধ্যে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির তালিকায় একক প্রাধান্য ছিল প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ইস্টার্ন কেবলস লিমিটেডের। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ১২.৮২ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, গত সপ্তাহে কোম্পানিটির ১৩ লাখ ১২ হাজার ৬৮২টি শেয়ার ৪৪ কোটি ৫৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় লেনদেন হয়।

কোম্পানিটি ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) লোকসানে ছিল ১৫ পয়সা এবং আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ৩০ টাকা ৪৭ পয়সা। এ সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা লোকসানে ছিল ৩৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর এক দশমিক ৩২ শতাংশ বা চার টাকা ৪০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৩৩৮ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩৩২ টাকা ৯০ পয়সা। দিনজুড়ে এক লাখ ৫৯ হাজার ৫৪৫টি শেয়ার মোট এক হাজার ৭৩৫ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর পাঁচ কোটি ৩৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৩২৬ টাকা ১০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৩৪৬ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়। এক বছরে শেয়ারদর ১৬০ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৩৬৮ টাকায় ওঠানামা করে।

সর্বশেষ প্রকাশিত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, শেয়ারপ্রতি আয় এক টাকা ৩৪ পয়সা লোকসানে ছিল। যা আগের বছর একই সময়ে দুই পয়সা লোকসানে ছিল। দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০১৮) শেয়ারপ্রতি আয় দুই টাকা ৯৯ পয়সা লোকসানে রয়েছে। গতবছর যথাসময়ে বার্ষিক সভা করতে না পারায় কোম্পানিটিকে ‘জেড’ ক্যাটেগরিতে নামিয়ে দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিএসই। পরবর্তীতে এজিএম সম্পন্ন ও লভ্যাংশ দেওয়ায় কোম্পানিটিকে সম্প্রতি ‘এ’ ক্যাটেগরিতে উন্নীত করা হয়। এরপর থেকে কোম্পানিটির শেয়ার দর বাড়তে থাকে। ডিএসই সম্প্রতি কোম্পানিটির দর বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধান করলে কোম্পানি জানায়, অস্বাভাবিক এ দর বৃদ্ধির কোনো কারণ নেই।

ইস্টার্ন কেবলস ১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৬০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৪৯ কোটি ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এর আগে বরাবরই কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। গত বছর কোম্পানিটি নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে বোনাস লভ্যাংশ দেয়।

কোম্পানিটির মোট দুই কোটি ৬৪ লাখ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ১৭.৭৭ শতাংশ, সরকার ৫১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক ১৬.৬৪ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ১৪.৫৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। বিদায়ী মার্চ মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে। অন্যদিকে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বেড়েছে।

শেয়ারবার্তা / মামুন

সংবেদনশীল তথ্য এর সর্বশেষ খবর

উপরে