ঢাকা, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯, ১১ চৈত্র ১৪২৫

একমি ল্যাবের ১৬ কোটি শেয়ার লক-ইন ফ্রি রোববার

২০১৯ মার্চ ১৩ ২৩:৪৮:০৩
একমি ল্যাবের ১৬ কোটি শেয়ার লক-ইন ফ্রি রোববার

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমি ল্যাবরেটরিজের উদ্যোক্তা পরিচালক এবং শেয়ারহোল্ডারের ৩ বছরের লক-ইন থাকা মোট ১৬ কোটি ১৬ লাখ ১ হাজার ৭০০ শেয়ারের লক-ইন ফ্রি হচ্ছে আগামী ১৬ মার্চ শনিবার। তবে শনিবার মার্কেট বন্ধ থাকায় এটি রোববার কার্যকর হবে।

কোম্পানিটির ৫ জন উদ্যোক্তা পরিচালক এবং ৫১ জন শেয়ারহোল্ডারের কাছে মোট ১৬ কোটি ১৬ লাখ ১ হাজার ৭০০টি শেয়ার লক-ইন রয়েছে। এই শেয়ার (পরিচালকদের ৩০ শতাংশ বাদে বাকি শেয়ার) চাইলে নির্ধারিত আইন পরিপালন করে বিক্রি করার সুযোগ রয়েছে।

যদিও লক-ইন ফ্রি শেয়ার বিক্রি করা কিংবা না করা, উদ্যোক্তা পরিচালকদের অনুমোদন বা সিদ্ধান্তের বিষয়। আবার এই শেয়ার বিক্রি করতে হলে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ঘোষণা দিতে হয়।

(সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ) বিধিমালা ১৯৯৫-এর বিধি-৪-এর উপবিধি ২ এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স ১৯৬৯-এর সেকশন ১২ পরিপালনের বাধ্যবাধকতা থাকছে না এখন কোম্পানিটির ক্ষেত্রে। কারণ কোম্পানিটি ইতোমধ্যে সমাপ্ত হিসাব বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

২০১৬ সালের ১৬ মার্চ একমি ল্যাবরেটরিজের প্রসপেক্টাস ইস্যু করা হয়। আর প্রসপেক্টাস ইস্যু থেকে ৩ বছর লক-ইন ছিল কোম্পানির ১৬ কোটি ১৬ লাখ ১ হাজার ৭০০টি শেয়ার। ২০১৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৬৭তম সভায় একমি ল্যাবরেটরিজকে আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটির ৫ কোটি সাধারণ শেয়ার বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে অনুমোদন দেওয়া হয়।

এর মধ্যে ৫০ শতাংশ বা আড়াই কোটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য, ১০ শতাংশ বা ৫০ লাখ শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য, যার প্রতিটি কাট-অফ ৮৫ টাকা ২০ পয়সায়, বাকি ৪০ শতাংশ বা ২ কোটি শেয়ার সাধারণ বিনিযোগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য। এই শেয়ারের কাট-অফ মুল্য ১০ শতাংশ কমে বা ৭৭ টাকায় ইস্যুর জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়। আইপিও আবেদনের মাধ্যমে কোম্পানিটি ৪০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করে, এই টাকা দিয়ে ৩টি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে খরচ করে।

৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত হিসাব বছরে একমি ল্যাবরেটরিজের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৭৪ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৮৩ টাকা ৩৯ পয়সা।

আর দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর–ডিসেম্বর,১৮) শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৮৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ১ টাকা ৮২ পয়সা। এদিকে শেষ ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,১৮) কোম্পানির আয় হয়েছে ৩ টাকা ৬৯ পয়সা। আগের বছর একই সময় আয় ছিল ৩ টাকা ৮১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ শেষে শেয়ার প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৮৩ টাকা ৫৬ পয়সা।

এ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি ২০১৬ সালেই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৪০.১২ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। বাকি শেয়ারের ৩০.৬০ শতাংশ রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে দশমিক ৭৪ শতাংশ, আর ২৮.৫৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে।

শেয়ারবার্তা / মামুন

সংবেদনশীল তথ্য এর সর্বশেষ খবর

উপরে