ঢাকা, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯, ১১ চৈত্র ১৪২৫

প্রিমিয়ার ব্যাংকের অর্থ আত্মসাত মামলায় দুদকের অভিযোগপত্র অনুমোদন

২০১৯ মার্চ ০৯ ১০:২২:৫৪
প্রিমিয়ার ব্যাংকের অর্থ আত্মসাত মামলায় দুদকের অভিযোগপত্র অনুমোদন

প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৫৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিসমিল্লাহ গ্রুপের মালিক খাজা সোলায়মান আনোয়ার চৌধুরী এবং ব্যাংকটির পাঁচ কর্মকর্তাসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার কমিশনের এক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয় বলে দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘শিগগিরই’ এ অভিযোগপত্র সংশ্লিষ্ট আদালতে দাখিল করা হবে।

আসামিরা হলেন- বিসমিল্লাহ গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আলপা কম্পোজিট টাওয়েলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাজা সোলায়মান আনোয়ার চৌধুরী, চেয়ারম্যান নওরীন হাসি, পরিচালক মো. শফিকুল আলম চৌধুরী ও সাবেক ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ শাহীনুর রহমান।

অপরদিকে প্রিমিয়ার ব্যাংকের মতিঝিল শাখার ফার্স্ট এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এম এ রহিম (রুহুল আমিন), ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. শাহাবুদ্দিন সরদার, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. তানজিবুল, সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন ও এক্সিকিউটিভ অফিসার আবু সালেহ মো. আরিফুর রহমানকে অভিযোগপত্রে আসামি করা হয়।

এছাড়া শাহরিশ কম্পোজিট টাওয়েলস লিমিটেড এবং আলপা কম্পোজিট টাওয়েলস লিমিটেডের (কুমিল্লা) পরিচালক সারোয়ার জাহান, বিসমিল্লাহ টাওয়েলস লিমিটেডের অথরাইজড সিগনেটরী ও ডিএমডি আকবর আজিজ মুতাক্কি, জিএম (কর্মাশিয়াল) মো. আবুল হোসাইন চেীধুরী ও ব্যবস্থাপক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ এবং নেটওয়ার্ক ফ্রেইট সিস্টেমস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আক্তার হোসেনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

প্রিমিয়ার ব্যাংকের মতিঝিল শাখা থেকে জালিয়াতি করে ঋণ নিয়ে তা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৩ সালের ২০ জানুয়ারি মতিঝিল থানায় মামলাটি করেন ব্যাংকটির সাবেক সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তৎকালীন শাখা ব্যবস্থাপক মো. ইদ্রিস আলী ফকির।

পরে আদালতের নির্দেশে দুদক মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায়। দীর্ঘদিন তদন্তের পর তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন কমিশনের প্রতিবেদন দাখিল করেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, খাজা সোলায়মান আনোয়ার চৌধুরীর কোম্পানি আলপা কম্পোজিট টাওয়েলস লিমিটেডের নামে ২০১১ ও ২০১২ সালের ব্যাংক টু ব্যাংক এলসি খুলে আমদানি বিল বাবদ প্রিমিয়ার ব্যাংকের মতিঝিল শাখা থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে মোট ৫৯ কোটি ১৫ লাখ ৪৭ হাজার ৪২৯ টাকা গ্রহণ করা হয়। ওই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়।

ব্যাংকটির যেসব কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে অর্থ আত্মসাতে তাদের পারস্পরিক যোগসাজশ রয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়।

শেয়ারবার্তা / মামুন

সংবেদনশীল তথ্য এর সর্বশেষ খবর

উপরে