ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬

সাধারণ বীমা ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ  

২০১৯ ফেব্রুয়ারি ০৭ ০৬:৫৩:৪৭
সাধারণ বীমা ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ

 

সাধারণ বীমা বা নন-লাইফ বীমা ব্যবসায় কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সর্বোচ্চ হার বেঁধে দিয়ে ‘নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসা ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণী বিধিমালা, ২০১৮’ নামের বিধিমালার চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের বীমা শাখা।

৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ওই গেজেট অনুসারে, অগ্নি ও অন্যান্য বীমার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বছরে প্রথম ১৫ কোটি টাকার গ্রস প্রিমিয়াম অর্জনে এর ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় করতে পারবে কোম্পানিগুলো। নৌ বীমার ক্ষেত্রে তা ২৬ শতাংশ।

প্রবিধানমালায় আরো আছে, অগ্নিবীমা ও অন্যান্য বীমার পরবর্তী ১৫ কোটি টাকা প্রিমিয়ামের ৩৩ শতাংশ এবং নৌবীমার ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় বাবদ খরচ করতে পারবে নন লাইফ কোম্পানিগুলো। পরবর্তী ১৫ কোটি টাকার ওপর এ হার যথাক্রমে ৩২ শতাংশ ও ২৪ শতাংশ, তার পরের ১৫ কোটি টাকার ৩০ শতাংশ ও ২২ শতাংশ, এরও পরের ১৫ কোটি টাকার ২৮ শতাংশ ও ২০ শতাংশ পর্যন্ত খরচ করা যাবে।

এর পরের ১৫ কোটি টাকা প্রিমিয়ামের ২৬ শতাংশ ও ১৮ শতাংশ এবং পরবর্তী ৩০ কোটি টাকা প্রিমিয়ামের বিপরীতে অগ্নি ও অন্যান্য বীমায় খরচ করা যাবে ২৪ শতাংশ, নৌবীমার ক্ষেত্রে যা ১৭ শতাংশ। এর চেয়ে অর্থাৎ ১২০ কোটি টাকার বেশি প্রিমিয়াম পেলে বর্ধিত প্রিমিয়ামের বিপরীতে যথাক্রমে সর্বোচ্চ ২২ ও ১৬ শতাংশ হারে ব্যবস্থাপনা ব্যয় করা যাবে।

এদিকে নন-লাইফ বীমা কোম্পানি তাদের ব্যবসার প্রথম ১০ বছরে কমিশন খরচ ও পারিশ্রমিক মিলিয়ে ভিন্ন হিসাবের ভিত্তিতে ব্যবস্থাপনা ব্যয় করতে পারবে। ব্যবসা শুরুর প্রথম বছরে মোট পরিশোধিত মূলধনের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ এবং পরবর্তী তিন বছরের প্রতি বছর পরিশোধিত মূলধনের ওপর অর্জিত সুদ, দ্বিতীয় ধাপের তিন বছরে মোট পরিশোধিত মূলধনের ওপর অর্জিত সুদ বা সংশ্লিষ্ট বছরে দেশে ইস্যু করা সব পলিসির গ্রস প্রিমিয়ামের মধ্যে যেটি কম তার সমান ব্যবস্থাপনা ব্যয় করতে পারবে কোম্পানিগুলো।

এর পরের তিন বছরে পরিশোধিত মূলধনের ওপর অর্জিত সুদের তিন-চতুর্থাংশ বা সে বছরে সরাসরি দেশে ইস্যু করা পলিসি থেকে আসা গ্রস প্রিমিয়াম আয়ের ২ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে যেটি কম তা খরচ করতে পারবে নতুন প্রজন্মের নন-লাইফ বীমা কোম্পানিগুলো।

প্রবিধানমালায় আরো বলা হয়েছে, কোনো বীমা কোম্পানির বাংলাদেশের বাইরে মূল ব্যবসাস্থল থাকলে সেই বীমা কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের ব্যয়ের একটি অংশ ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমাভুক্ত হবে এবং তা সরাসরি ও গৃহীত পুনঃবীমা ব্যবসাসহ এবং প্রদত্ত পুনঃবীমা প্রিমিয়াম ছাড়া কোনোভাবেই ওই বছরে দেশে অর্জিত মোট নিট প্রিমিয়াম আয়ের ৫ শতাংশের বেশি হবে না।

শেয়ারবার্তা / জুয়েল

বাজার বিশ্লেষণ এর সর্বশেষ খবর

উপরে