ঢাকা, রবিবার, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, ৭ মাঘ ১৪২৫

৩০ কোটি টাকা তুলতে পুঁজিবাজারে আসছে নিউ লাইন ক্লোথিংস

২০১৮ ডিসেম্বর ১৮ ১৮:৫৭:১৯
৩০ কোটি টাকা তুলতে পুঁজিবাজারে আসছে নিউ লাইন ক্লোথিংস

ব্যবসা সম্প্রসারণ ও ঋণ পরিশোধের জন্য পুঁজিবাজারে আসছে বস্ত্রখাতের কোম্পানি নিউ লাইন ক্লোথিংস লিমিটেড। কোম্পানিটি বাজার থেকে স্থির মূল্য পদ্ধতিতে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করতে চায়।

উত্তোলিত ৩০ কোটি টাকার মধ্যে কোম্পানিটি ৯ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ করবে; এই ঋণ সাউথইষ্ট ব্যাংকের বনানী শাখায় পরিশোধ করা হবে।

ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যয় হবে ৬৫ শতাংশ বা ১৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা। যেখানে প্লান্ট ও মেশিনারিজের জন্য ১১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। আর কারখানা ভবনের সম্প্রসারণে ব্যয় হবে ৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। আইপিও বাবদ খরচ হবে ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।

কোম্পানির এই আইপিও প্রকল্প বাস্তবায়নের পর উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে প্রথম বছরে ১৫ শতাংশ, ২য় বছরে ২০ শতাংশ এবং ৩য় বছরে ১৫ শতাংশ। এই সক্ষমতার ব্যবহার ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ। সেলস রেভিনিউ বাড়বে প্রথম বছরে ১৫ শতাংশ, ২য় বছরে ১৮ শতাংশ এবং তৃতীয় বছরে ১১ শতাংশ। পাশাপাশি পরিচালন খরচ বাড়বে ১৫ শতাংশ।

৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯৩ পয়সা। যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ২৭ পয়সা। আলোচ্য সময় পর্যন্ত কোম্পানির প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩১ টাকা ৬৩ পয়সা। যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৯ টাকা ৭০ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানির নিট মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। যা এর আগের বছর ছিল ৫ কোটি ৬ লাখ টাকা।

কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা। আইপিও শেয়ার বাদে পরিশোধিত মূলধন ৩৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা। আর আইপিও শেয়ার ধরে পরিশোধিত মূলধন ৬৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা।

কোম্পানিটি ২০০০ সালের ২৩ মে গাজীপুরে কালিয়াকরের মৌচাকে যাত্রা শুরু করে। আর ২০০৭ সালের ১ মার্চ বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে। কোম্পানিটি ওভেন পোশাক তৈরি করে থাকে। এর মধ্যে ট্রাউজার, শার্টস, বাচ্চাদের পোশাক, জেন্টস পোশাক, ফিমেল পোশাক, জ্যাকেটস, খেলার পোশাক, ডেনিম পোশাক তৈরি করে থাকে।

এ বিষয়ে কোম্পানির প্রধান অর্থ কর্মকতা শরীফ আহমেদ বলেন, নিউ লাইন ক্লোথিংস সব ধরণের কমপ্লায়েন্স পরিপালন করে ব্যবসা পরিচালনা করছে। যার কারণে জামার্নি, অস্টেলিয়া এবং ইউরোপ বেইজ ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্য কিনে থাকেন। এতে করে বিশ্ববাজারে নিউ লাইন ক্লোথিংস কোম্পানির পণ্যের অনেক চাহিদা রয়েছে।

কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ হলে বিদ্যমান চাহিদা পূরণে নিউ লাইন ক্লোথিংস আরও এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি।

নিউ লাইন ক্লোথিংসকে বাজারে আনতে যৌথভাবে কাজ করছে বানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, সন্ধানী লাইফ ফাইন্যান্স এবং সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস লিমিটেড।

শেয়ারবার্তা / মামুন

বাজার বিশ্লেষণ এর সর্বশেষ খবর

উপরে