ঢাকা, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬

ডিএসইর সফটওয়্যার কাজ করছে না

২০১৮ অক্টোবর ১৮ ১৩:৫২:৪২
ডিএসইর সফটওয়্যার কাজ করছে না

তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর গরমিল আর্থিক হিসাবে সনাক্তে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবহৃত স্বয়ংক্রিয় সফরওয়্যার ঠিকমতো কাজ করছে না। কিছু কিছু কোম্পানির ক্ষেত্রে কাজ করলেও অনেক কোম্পানির ক্ষেত্রে তা করছে না।

এ বিষয়ে গত ২ সপ্তাহেও ডিএসই কর্তৃপক্ষের কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ডিএসইর প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) মো. জিয়াউল করিমসহ জনসংযোগ বিভাগে যোগাযোগ করেও এ বিষয়ে কোন জবাব পাওয়া যায়নি।

কোম্পানিগুলোর প্রান্তিকের হিসাবের সঙ্গে মোট হিসাবের গরমিল তথ্য নির্ধারনে ডিএসই সয়ংক্রিয় সফটওয়্যার চালু রয়েছে। যে সফটওয়্যারের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রান্তিক হিসাবের সঙ্গে মোট হিসাবের পার্থক্য দেখা দিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত হয়। একইসঙ্গে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে সেসব হিসাব ‘লাল’ চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু ডিএসইর এই সফটওয়্যারটি এখন ঠিকমতো কাজ করছে না।

উদাহরনস্বরুপ : যদি একটি কোম্পানির ৩টি প্রান্তিকে পৃথকভাবে ১০ কোটি টাকার বিক্রয় হয়, স্বাভাবিকভাবেই ৩টি প্রান্তিকের বা ৯ মাসের মোট হিসাবে বিক্রয় হয় ৩০ কোটি টাকা। কিন্তু অনেক কোম্পানির পৃথক হিসাবের সঙ্গে মোট হিসাবের অযৌক্তিক পার্থক্য তৈরী হয়। এ জাতীয় হিসাব সনাক্ত করার জন্যই ডিএসই স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার ব্যবহার শুরু করে।

দেখা গেছে, বঙ্গজ, গোল্ডেন হার্ভেষ্ট অ্যাগ্রো, জেমিনি সী ফুড, আরডি ফুডসহ অনেক কোম্পানির প্রান্তিকের পৃথক হিসাবের সঙ্গে মোট হিসাবের মিল নেই। তবে ডিএসইর সফটওয়্যারে তা সনাক্ত করা যায়নি।

বঙ্গজ কর্তৃপক্ষ ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ১০ লাখ ১০ হাজার টাকা ও দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা লোকসান দেখিয়েছেন। তবে তৃতীয় প্রান্তিকে ৩৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা মুনাফা দেখিয়েছেন। এ হিসাবে ৩টি প্রান্তিকের নিট মুনাফা হয় ২১ লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ২৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিট মুনাফা দেখিয়েছেন। এক্ষেত্রে পৃথক হিসাবের সঙ্গে মোট হিসাবে পার্থক্য হলেও ডিএসইর সফটওয়্যারে তা সনাক্ত হয়নি।

শেয়ার বার্তা/ জে ভি

বিশেষ সংবাদ এর সর্বশেষ খবর

উপরে