ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

বিএসআরএমের স্ক্র্যাপবাহী লাইটার জাহাজ ডুবি

২০১৮ সেপ্টেম্বর ৩০ ০৬:৪২:৪৭
বিএসআরএমের স্ক্র্যাপবাহী লাইটার জাহাজ ডুবি

পুঁজিবাজারে তালিকাভু্ক্ত বিএসআরএমের স্ক্র্যাপবাহী একটি লাইটার জাহাজ গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এক দুর্ঘটনায় ডুবে যায়। জাহাজটিতে বিএসআরএমের আমদানিকৃত লোহার স্ক্র্যাপ লোড করা ছিল। এতে মাস্টার-সুকুনিসহ ১৩ জন ক্রু ছিলেন।

ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেল সূত্রে জানা যায়, বিএসআরএমের আমদানিকৃত লোহার স্ক্র্যাপ একটি মাদার ভেসেল থেকে চর শ্যামাইল নামের লাইটারসহ মোট তিনটি লাইটার জাহাজে নামানো হচ্ছিল। লোড করার পর মাদার ভেসেলটি রওনা হলেও চর শ্যামাইলের সঙ্গে বাঁধা রশিটি খোলা হয়নি। এতে চর শ্যামাইলের সঙ্গে অন্য একটি জাহাজের ধাক্কা লাগলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ দুর্ঘটনায় জাহাজটির মাস্টারসহ চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে অন্য ৯ জন ক্রুকে উদ্ধার করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বন্দরের এক কর্মকর্তা জানান, ইস্পাত খাতের প্রতিষ্ঠান বিএসআরএমের আমদানিকৃত ৩২ হাজার ৫০০ টন স্ক্র্যাপ লোহা নিয়ে আসা নিউ লিগ্যাসি নামের জাহাজটি। কিন্তু জাহাজটির পানির নিচে গভীরতা (ড্রাফট) ১০ মিটার। আর বন্দরের জেটিতে ঢুকতে পারে সাড়ে ৯ মিটার ড্রাফটের জাহাজ। সেজন্য ভাড়া করা চর শ্যামাইল লাইটার জাহাজে নিউ লিগ্যাসি থেকে কিছু স্ক্র্যাপ খালাস করে সেটিকে হালকা করা হচ্ছিল। এ সময় অন্য একটি মাদার ভেসেল নিউ লিগ্যাসির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় চর শ্যামাইলকে সেটি ধাক্কা দেয়। এতে চর শ্যামাইল ডুবে যায়। তবে মাদার ভেসেলটির কোনো ক্ষতি হয়নি।

এ বিষয়ে বন্দরের ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব রশিদ জানান, ‘আউটারে বিএসআরএমের লোহার স্ক্র্যাপবাহী একটি লাইটার জাহাজ ডুবে গেছে বলে জানতে পেরেছি। তবে কীভাবে এবং কেন জাহাজটি ডুবেছে, তা এখনও নিশ্চিত হতে পারিনি। তবে এখনও জাহাজটির মাস্টার নিখোঁজ। আর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।’

বিএসআরএমর নির্বাহী পরিচালক তপন সেনগুপ্ত এ বিষয়ে বলেন, ‘আউটারে আমাদের লোহার স্ক্র্যাপবাহী একটি লাইটার জাহাজ ডুবে গেছে বলে জানতে পেরেছি। তবে আমি বিস্তারিত জানি না। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানাতে পারব।’

উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম থেকে দেড় হাজার টন সিমেন্ট ক্লিংকার নিয়ে ‘এসকে ফারদিন’ নামের লাইটার জাহাজটি নারায়ণগঞ্জে যাচ্ছিল। ঠেঙ্গারচরের কাছে সাগরে বসুন্ধরা-২৭ নামে আরেকটি লাইটার জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে এসকে ফারদিন ডুবে যায়। পরে জাহাজের ১৩ জন নাবিকের সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

শেয়ারাবার্তা / জুয়েল

কোম্পানী সংবাদ এর সর্বশেষ খবর

উপরে