ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮, ৬ কার্তিক ১৪২৫

ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের বেতন-ভাতার চমক!

২০১৮ মে ১৪ ০৬:২১:০২
ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের বেতন-ভাতার চমক!

দেশের ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের বার্ষিক বেতন-ভাতার পরিমাণ ব্যাংকগুলোর আর্থিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হয়। দেশের সরকারি-বেসরকারি ৪৮টি ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের ক্ষেত্রে বেতন-ভাতার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেতন-ভাতা পাচ্ছেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি ও সিইও।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের বেতন-ভাতা পর্যালোচনা করে জানা যায়, ২০১৭ সালে বেতন-ভাতা বাবদ ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী রেজা ইফতেখার পেয়েছেন ২ কোটি ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ হিসাবে বেতন-ভাতা বাবদ তিনি ব্যাংকটি থেকে পেয়েছেন প্রতি মাসে গড়ে ১৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। ২০১৭ সালে দেশীয় ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ বেতন-ভাতা। তিনি ২০০৭ সাল থেকে ব্যাংকটির নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। বরাবরই তিনি বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বেতন-ভাতা পেয়ে আসছেন।

২০১৭ সালে দেশীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেতন-ভাতা পেয়েছেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি ও সিইও আনিস এ খান। বছরটিতে তৃতীয় সর্বোচ্চ বেতনধারী শীর্ষ ব্যাংক নির্বাহী দ্য সিটি ব্যাংকের এমডি ও সিইও সোহেল আরকে হোসেন। গত বছর ব্যাংকের শীর্ষ ১০ বেতনধারী অন্য প্রধান নির্বাহীরা হলেন যথাক্রমে এনআরবি ব্যাংকের মো. মেহমুদ হোসেন, এক্সিম ব্যাংকের ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের কাজী মসিহুর রহমান, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের মো. হাবিবুর রহমান, আইএফআইসি ব্যাংকের শাহ আলম সারওয়ার, যমুনা ব্যাংকের শফিকুল আলম ও ওয়ান ব্যাংকের এম ফখরুল আলম।

২০১৭ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেতনধারী শীর্ষ নির্বাহী হিসেবে আনিস এ খানকে বেতন-ভাতা বাবদ মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পরিশোধ করেছে ১ কোটি ৮২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রধান নির্বাহী হিসেবে প্রতি মাসে গড়ে ১৫ লাখ ২৩ হাজার টাকার আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন। ২০১৬ সালে তিনি বেতন-ভাতা বাবদ পেয়েছিলেন ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এ হিসাবে বছরটিতে প্রতি মাসে গড়ে ১৪ লাখ ৪২ হাজার টাকার আর্থিক সুবিধা পেয়েছিলেন এ ব্যাংকার। এর আগে ২০১৫ সালে ব্যাংকটিতে তার বেতন-ভাতা ছিল ১ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

দেশীয় ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের মধ্যে দ্য সিটি ব্যাংক লিমিটেডের এমডি সোহেল আরকে হোসেনকে গত বছর বেতন-ভাতা বাবদ ব্যাংকটি পরিশোধ করেছে ১ কোটি ৭৫ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। এ হিসাবে বেতন-ভাতা বাবদ দ্য সিটি ব্যাংক থেকে প্রতি মাসে গড়ে ১৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা পেয়েছেন এ ব্যাংকার। এর আগে ২০১৬ সালে ১ কোটি ৭৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা বেতন-ভাতা নিয়ে সোহেল আরকে হোসেন এ তালিকার দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। এছাড়া ২০১৫ সালে দ্য সিটি ব্যাংক থেকে বেতন-ভাতা হিসেবে তিনি পেয়েছিলেন ১ কোটি ৬৪ লাখ ৯ হাজার টাকা।

প্রতিষ্ঠানের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের বেতন-ভাতা কম-বেশি হয় বলে জানান সোহেল আরকে হোসেন। তিনি বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সারা বিশ্বেই পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করে বেতন সুবিধা দেয় প্রতিষ্ঠানগুলো। বাংলাদেশেও একই ধরনের চর্চা রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকেই দেশীয় ব্যাংকগুলো প্রধান নির্বাহীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করে।

বিদায়ী বছর ১ কোটি ৬৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা বেতন-ভাতা নিয়ে চতুর্থ সর্বোচ্চ বেতনধারী প্রধান নির্বাহী মো. মেহমুদ হোসেন। ২০১৭ সালে বেতন-ভাতা বাবদ এনআরবি ব্যাংক এ ব্যাংকারকে পরিশোধ করেছে প্রতি মাসে গড়ে ১৩ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। ২০১৬ সালে শীর্ষ নির্বাহীর বেতন-ভাতা বাবদ ব্যাংকটির ব্যয় ছিল ১ কোটি ৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।

২০১৬ সালের মতোই গত বছরও শীর্ষ নির্বাহীর বেতন-ভাতা বাবদ পঞ্চম সর্বোচ্চ অর্থ ব্যয় করেছে ইসলামী ধারার এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড। ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়াকে গত বছর বেতন-ভাতা বাবদ ব্যাংকটি পরিশোধ করেছে ১ কোটি ৬২ লাখ ১ হাজার টাকা। এ হিসাবে ব্যাংকটি থেকে প্রতি মাসে গড়ে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পেয়েছেন এ ব্যাংকার। এর আগে ২০১৬ সালে ব্যাংক থেকে ১ কোটি ৫১ লাখ ৬০ হাজার টাকা বেতন-ভাতা নিয়েছিলেন তিনি।

উচ্চবেতনধারী শীর্ষ নির্বাহীদের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে আছেন মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডের এমডি কাজী মসিহুর রহমান। ২০১৭ সালে বেতন-ভাতা বাবদ তিনি ব্যাংকটি থেকে পেয়েছেন ১ কোটি ৬১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। অর্থাৎ মার্কেন্টাইল ব্যাংক প্রতি মাসে গড়ে ১৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেছে এ ব্যাংকারকে। ২০১৬ সালে কাজী মসিহুর রহমান বেতন-ভাতা বাবদ পেয়েছিলেন ১ কোটি ২৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা।

প্রতি মাসে গড়ে ১৩ লাখ ১৯ হাজার টাকা বেতন-ভাতা পেয়েছেন আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী মো. হাবিবুর রহমান। ২০১৭ সালে তিনি ব্যাংকটি থেকে মোট আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন ১ কোটি ৫৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা। গত বছর শীর্ষ নির্বাহীদের মধ্যে এটা সপ্তম সর্বোচ্চ বেতন-ভাতা। ২০১৬ সালে হাবিবুর রহমান ১ কোটি ৩২ লাখ ৪০ হাজার টাকা বেতন-ভাতা পেয়েছিলেন।

২০১৬ সালে উচ্চবেতন-ভাতা প্রাপ্ত শীর্ষ নির্বাহীদের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে থাকলেও বিদায়ী বছরে কিছুটা পিছিয়ে অষ্টম স্থানে নেমে গেছেন আইএফআইসি ব্যাংকের এমডি ও সিইও এম শাহ আলম সারওয়ার। বেতন-ভাতা বাবদ ২০১৭ সালে ব্যাংকটি তাকে পরিশোধ করেছে ১ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এ হিসাবে আইএফআইসি ব্যাংক থেকে বেতন-ভাতা বাবদ প্রতি মাসে গড়ে ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা পেয়েছেন এ ব্যাংকার। এর আগের বছরও ব্যাংকটি থেকে সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পেয়েছিলেন এম শাহ আলম সারওয়ার।

প্রতি মাসে গড়ে ১২ লাখ ৫৭ হাজার টাকা বেতন-ভাতা পেয়ে উচ্চবেতন-ভাতা প্রাপ্ত শীর্ষ নির্বাহীদের তালিকায় নবম স্থানে আছেন যমুনা ব্যাংকের এমডি শফিকুল আলম। ২০১৭ সালে তিনি ব্যাংকটি থেকে বেতন-ভাতা পেয়েছেন মোট ১ কোটি ৫০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ২০১৬ সালে শফিকুল আলম যমুনা ব্যাংক থেকে ১ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সুবিধা পেয়েছিলেন।

উচ্চবেতন-ভাতা প্রাপ্ত শীর্ষ নির্বাহীদের তালিকায় দশম স্থানে আছেন ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফখরুল আলম। তিনি ২০১৭ সালে ব্যাংকটি থেকে মোট বেতন-ভাতা পেয়েছেন ১ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রতি মাসে ওয়ান ব্যাংক থেকে এম ফখরুল আলম ১১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা করে বেতন-ভাতা পেয়েছেন। ২০১৬ সালে তিনি ব্যাংকটি থেকে বেতন-ভাতা বাবদ পেয়েছিলেন ১ কোটি ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার টাকা।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের এ বেতন-ভাতা বিদ্যমান বেতন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মনে করেন বেসরকারি ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার। তিনি বলেন, দেশে ব্যাংকের সংখ্যার তুলনায় যোগ্য শীর্ষ নির্বাহীর সংকট রয়েছে। এ কারণে এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে যোগ্য এমডি-ডিএমডি হায়ার করার চেষ্টায় থাকে।

তিনি আরো বলেন, ব্যাংক এমডিদের বেতন-ভাতার বিষয়ে দেশে কোনো নীতিমালা নেই। অর্থ মন্ত্রণালয় বা বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এ বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা দরকার। সম্প্রতি সরকারের তরফ থেকেও ব্যাংক এমডিদের উচ্চবেতনের বিষয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে।

২০১৬ সালে বেতন-ভাতার শীর্ষ ১০ প্রধান নির্বাহীর তালিকায় ছিলেন ব্যাংক এশিয়ার মো. আরফান আলী, উত্তরা ব্যাংকের মোহাম্মদ রবিউল হোসেন, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ফরমান আর চৌধুরী ও ব্র্যাক ব্যাংকের সেলিম আরএফ হোসেন। মূলত অন্যদের তুলনায় বেতন-ভাতা না বাড়ায় ২০১৭ সালে সর্বোচ্চ বেতন-ভাতা প্রাপ্ত ১০ শীর্ষ নির্বাহীর তালিকায় নেই তারা।

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন ফরমান আর চৌধুরী। বেতন-ভাতা বাবদ গত বছর ব্যাংকটি থেকে তিনি পেয়েছেন ১ কোটি ৪২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। এ হিসাবে প্রতি মাসে গড়ে বেতন-ভাতা পেয়েছেন ১১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

শীর্ষ দশে না থাকলেও বেতন-ভাতা বাবদ ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমানকে গত বছর বড় অংকের অর্থ পরিশোধ করেছে ব্যাংকটি। ২০১৭ সালে এ বাবদ ঢাকা ব্যাংক থেকে তিনি পেয়েছেন ১ কোটি ৪০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এ হিসাবে প্রতি মাসে গড়ে ১১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা বেতন-ভাতা পেয়েছেন তিনি। দেশীয় ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।

নতুন প্রজন্মের মিডল্যান্ড ব্যাংকের মো. আহসান-উজ জামানও গত বছর বেতন-ভাতা বাবদ বড় অংকের অর্থ পেয়েছেন। ২০১৭ সালে ব্যাংকটি থেকে বেতন-ভাতা হিসেবে তিনি পেয়েছেন ১ কোটি ৪০ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। সে হিসাবে বিদায়ী বছরে তিনি গড়ে প্রতি মাসে ১১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা করে বেতন-ভাতা পেয়েছেন।

২০১৬ সালের তুলনায় গত বছর দেশের সরকারি-বেসরকরি খাতের প্রায় সব ব্যাংকই প্রধান নির্বাহীদের বেতন-ভাতা বাড়িয়েছে। তবে কয়েকটি ব্যাংক এমডি পদে নতুনদের নিয়োগ দেয়ায় শীর্ষ নির্বাহীর পেছনে ব্যয় কমেছে। বিদায়ী বছরে এমডিদের বেতন-ভাতা বাবদ ১ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করেছে অধিকাংশ বেসরকারি ব্যাংক। এর মধ্যে ব্যাংক এশিয়ার এমডি মো. আরফান আলী পেয়েছেন ১ কোটি ৩৯ লাখ, এনআরবিসি ব্যাংকের এমডি (সাবেক) দেওয়ান মুজিবুর রহমান ১ কোটি ৩৮ লাখ ৪৯ হাজার টাকা বেতন-ভাতা পেয়েছেন। বিদায়ী বছরের শেষ দিকে এনআরবিসি ব্যাংক থেকে অপসারিত হন তিনি। বর্তমানে ব্যাংকটির এমডি পদে দায়িত্ব পালন করছেন বিদেশী সিটিব্যাংক এনএর সাবেক কান্ট্রি হেড খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।

একইভাবে ২০১৭ সালের শেষের দিকে বেশ কয়েকটি ব্যাংকের এমডি বিদায় নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ট্রাস্ট ব্যাংকের ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরী ২০১৭ বেতন-ভাতা বাবদ পেয়েছেন ১ কোটি ৩৫ লাখ ৬৯ হাজার, প্রিমিয়ার ব্যাংকের খন্দকার ফজলে রশিদ ১ কোটি ৩৩ লাখ ৫০ হাজার, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের আবদুল হামিদ মিয়া ১ কোটি ২৩ লাখ, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের মো. রফিকুল ইসলাম ১ কোটি ২২ লাখ ৩৩ হাজার, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের সহিদ হোসেন ১ কোটি ৮ লাখ ৪৯ হাজার, প্রাইম ব্যাংকের আহমেদ কামাল খান চৌধুরী ১ কোটি ১৫ লাখ ২৮ হাজার, এনসিসি ব্যাংকের গোলাম হাফিজ আহমেদ ৯৪ লাখ ৯ হাজার ও মেঘনা ব্যাংকের মোহাম্মদ নূরুল আমিন ৮৩ লাখ ১৬ হাজার টাকা বেতন-ভাতা পেয়েছিলেন। এসব ব্যাংকে বর্তমানে নতুন এমডিরা দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যান্য ব্যাংকারের মধ্যে ২০১৭ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি সেলিম আরএফ হোসেন ১ কোটি ৩৩ লাখ ৯ হাজার, উত্তরা ব্যাংকের মো. রবিউল হোসেন ১ কোটি ৩১ লাখ ৪৭ হাজার, সাউথইস্ট ব্যাংকের এমডি কামাল হোসেন ১ কোটি ২০ লাখ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের এমডি সৈয়দ ওয়াসেক মো. আলী ১ কোটি ৯ লাখ ৯৪ হাজার, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের এমডি প্রশান্ত কুমার হালদার ১ কোটি ৮ লাখ ৮০ হাজার, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের এমডি মামুন-উর রাশিদ ১ কোটি ৫ লাখ ৪০ হাজার, পূবালী ব্যাংকের এমডি মো. আব্দুল হালিম চৌধুরী ১ কোটি ৫ লাখ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এমডি আবুল কাশেম মো. শিরিন ৯৯ লাখ ৯৬ হাজার, এবি ব্যাংকের এমডি মশিউর রহমান চৌধুরী ৯৯ লাখ ৪০ হাজার, মধুমতি ব্যাংকের এমডি মো. সফিউল আজম ৯৫ লাখ ৩০ হাজার, ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি চৌধুরী মোস্তাক আহমেদ ৮৪ লাখ ৫০ হাজার, ইউনিয়ন ব্যাংকের এমডি ওমর ফারুকী ৮০ লাখ ১৩ হাজার ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের এমডি এ.ই আব্দুল মুহাইমেন ৮০ লাখ ২৬ হাজার টাকা বেতন-ভাতা পেয়েছেন।

শেয়ারবার্তা / মামুন

অনুসন্ধানী রিপোর্ট এর সর্বশেষ খবর

উপরে