ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮, ৬ কার্তিক ১৪২৫

আমান কটন ও এস কে ট্রিমসের আইপিও তারিখ নির্ধারণ

২০১৮ এপ্রিল ১২ ১৭:৫৬:০৬
আমান কটন ও এস কে ট্রিমসের আইপিও তারিখ নির্ধারণ

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পেয়েছে এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং আমান কটন ফাইব্রাস লিমিটেড। কোম্পানি দুটি পুঁজিবাজার থেকে মোট ১১০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের আইপিও সাবস্ক্রিপশন ১৬ মে থেকে শুরু হয়ে ২৪ মে পর্যন্ত এবং আমান কটনের ৩ জুন থেকে ১১ জুন পর্যন্ত চলবে বলে বিশেষ সূত্রে জানা গেছে।

এরমধ্যে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে আমান কটন ফাইবার্স লিমিটেড সংগ্রহ করবে ৮০ কোটি টাকা এবং এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড অভিহিত মূল্যে ৩০ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে কোম্পানি দুটির আইপিও সাবস্ক্রিপশন শুরুর অনুমোদন দিতে প্রক্রিয়া শুরু করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড : আইপিওর মাধ্যমে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৩ কোটি শেয়ার ইস্যু করে পুঁজিবাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। কোম্পানিটিকে আইপিও সাবস্ক্রিপশন শুরুর অনুমোদন দিতে ১২ এপ্রিল কনসেন্ট লেটার ইস্যু করবে বিএসইসি। আর সাবস্ক্রিপশন ১৬ মে থেকে শুরু হয়ে ২৪ মে পর্যন্ত চলবে। উত্তোলিত অর্থ কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়, ভবন নির্মাণ এবং আইপিও খাতে খরচ করবে।

৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৭৯ পয়সায়। গত তিন বছরে শেয়ারপ্রতি আয়ের (ইপিএস) গড় ১ টাকা ৩১ পয়সা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ তৈরি পোশাক খাতের জন্য সুতা, ইলাস্টিক, পলি, কার্টন, ফটো কার্ড, ব্যাক বোর্ড, বার কোড, হ্যাং ট্যাগ, টিস্যু পেপার, গাম টেপ ইত্যাদি উৎপাদন ও রফতানি করে। গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত কারখানায় ২০১৪ সালের জুনে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায় তারা।

আমান কটন ফাইব্রাস লিমিটেড : বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৮০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। আগামী ৩ মে কোম্পানিটিকে আইপিও সাবস্ক্রিপশন শুরুর জন্য কনসেন্ট লেটার ইস্যু করবে বিএসইসি। ৩ জুন থেকে শুরু হয়ে সাবস্ক্রিপশন চলবে ১১ জুন পর্যন্ত।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে আমান কটনের ইলেকট্রনিক বিডিং সম্পন্ন হয়। বিডিংয়ে ৪০ টাকা কাট অফ প্রাইস নির্ধারিত হয়। এর মধ্যে কাট অফ প্রাইসে যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (ইআই) কাছে ১ কোটি ২৫ লাখ শেয়ার ইস্যু করা হবে। আর কাট অফ প্রাইসের ১০ শতাংশ কমে অর্থাৎ ৩৬ টাকায় ৮৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৩টি শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করবে কোম্পানিটি।

আমান কটন মূলত সুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। কটন, পলিস্টার, সিল্কসহ অন্যান্য ফাইবার উৎপাদন করে তারা। গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত আমান কটন ফাইব্রাসের কারখানায় ২০০৬ সালে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়। আর ২০০৭ সালে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায় তারা।

সংগৃহীত অর্থে কারখানার নতুন যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়, ব্যাংকঋণ পরিশোধ এবং আইপিও প্রক্রিয়ার খরচ বাবদ ব্যয় করবে কোম্পানিটি।

২০১৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে আমান কটনের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয় ৩ টাকা ৩৮ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ৩ টাকা ২১ পয়সা।

ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।


শেয়ারবার্তা / মামুন

কোম্পানী সংবাদ এর সর্বশেষ খবর

উপরে