ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫

বিকালে শীর্ষ ব্রোকারদের সঙ্গে ডিএসইর জরুরী বৈঠক

২০১৮ মার্চ ১২ ১৭:১০:০৯
বিকালে শীর্ষ ব্রোকারদের সঙ্গে ডিএসইর জরুরী বৈঠক

শেয়ারবাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রেক্ষাপটে আজ ১২ মার্চ সোমবার শীর্ষ ব্রোকারদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহণকৃত বিনিয়োগকারীদের ডিএসইর চেয়ারম্যান আশ্বস্ত করেছেন, আগামীকাল থেকেই বাজার ঘুরে দাঁড়াবে। এরই প্রেক্ষিতে তিনি এ জরুরী সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন


এদিকে, সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসেও সূচকের বড় পতন হয়েছে। এদিন শুরু থেকেই সৃষ্ট বিক্রয় চাপে টানা নামতে থাকে সূচক। সোমবার লেনদেন শেষে সূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। তবে টাকার অংকে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে।

আজ ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ৬৭ পয়েন্ট কমে গত গত আট মাসের সর্বনিম্ন অবস্থানে চলে এসেছে। এর আগে ২০১৭ সালের ৩ জুলাই ডিএসইএক্স সূচকের অবস্থান ছিল ৫ হাজার ৭২৬ পয়েন্টে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অব্যাহত দরপতনে অস্থির হয়ে পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা। দর পতনে বিনিয়োগকারীরা হাহাকার করলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো নিরব ভূমিকা পালন করছে। তবে লেনদেন আজ কিছুটা বাড়ালেও আমাদের পুঁজিবাজারের আকার এবং বিনিয়োগকারীদের সংখ্যা বিবেচনা করলে যেখানে প্রতিদিন হাজার কোটি টাকা লেনদেন হওয়া স্বাভাবিক, সেখানে লেনদেনের এই অঙ্কটিকে কোনোভাবেই স্বাভাবিক বলা যায় না। অথচ বাজার পতনের তেমন কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণও নেই। বাজারে এখন মাত্র দুটি ইস্যু রয়েছে। এর মধ্যে একটি তারল্য সংকট এবং অন্যটি কৌশলগত বিনিয়োগকারী নির্বাচনে অনিশ্চয়তা। বর্তমান বাজারে শেয়ারের দাম এত নিচে নেমে গেছে যে, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করে নতুন করে লেনদেন করতে পারছেন না। আর বাজারের পতন ঠেকাতে বড় বিনিয়োগকারীরাও কোনো ভূমিকা রাখতে পারছেন না। এর কারণ, তাদের তারল্য সংকট। এ অবস্থায় বাজারে চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। যার কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও নিষ্ক্রিয় অবস্থানে চলে গেছেন। তবে আশার কথা হচ্ছে

এদিকে, আজকের বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দিনশেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৬৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫৭০৫ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৩৫০ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২১০৭ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৩৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ২৭৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির। আর দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ২৯৮ কোটি ২৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা।

এর আগের কার্যদিবস অর্থাৎ রোববার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৫৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ৫৭৭৩ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ১৩৬৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ১৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ২১২৬ পয়েন্টে। আর ওইদিন লেনদেন হয়েছিল ২৩৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮১ হাজার টাকা। সে হিসেবে আজ ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৬১ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

অন্যদিকে, দিনশেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ২২৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৭ হাজার ৬৪৭ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২১৮টি কোম্পানির ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৪টির, কমেছে ১৯১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টির। আর দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ৪৭ কোটি ৩৫ লাখ ২১ হাজার টাকা।


শেয়ারবার্তা / মামুন

সংবেদনশীল তথ্য এর সর্বশেষ খবর

উপরে