ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮, ৫ আষাঢ় ১৪২৫

ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিংয়ের সাবস্ক্রিপশন ১৮ হতে ২৭ মার্চ

২০১৮ মার্চ ১১ ০৮:০৫:৪২
ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিংয়ের সাবস্ক্রিপশন ১৮ হতে ২৭ মার্চ

আগামী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদা নেয়া শুরু করবে ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন লিমিটেড। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, ১৮ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত এ কোম্পানির প্রাথমিক শেয়ার কেনার আবেদন করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা।

ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং আইপিওর শেয়ারে লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ শেয়ারে। অর্থাত্ প্রতি লট শেয়ার কেনার আবেদনের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের ৫ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। একই পরিমাণ শেয়ার কেনার আবেদন করতে অনিবাসী বাংলাদেশীদের ৬০ দশমিক ৪৬ মার্কিন ডলার বা ৪৩ দশমিক ২২ ব্রিটিশ পাউন্ড বা ৪৮ দশমিক ৯৯ ইউরো জমা দিতে হবে।

এর আগে ৬২৪তম কমিশন সভায় কোম্পানিটিকে অভিহিত মূল্যের আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সভা শেষে কমিশনের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের তিন কোটি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিংকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থ কোম্পানিটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বোতলজাতকরণ ও ডিস্ট্রিবিউশন প্লান্ট স্থাপন এবং আইপিও খাতে খরচ করবে। শেড, জেনারেটর, ট্রাকসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য খাতেও কিছু অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে তাদের।

বিএসইসি আরো জানায়, সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া ২০১৭ সালের ৩০ জুন কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১০ টাকা ৪৯ পয়সা। শেয়ারপ্রতি আয়ের (ইপিএস) ভারিত গড় ৬৭ পয়সা।

ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিংয়ের পাঁচটি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর প্রতিটির ৯৫ শতাংশ শেয়ার তাদের হাতে। সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানসহ হিসাব করলে গত ৩০ জুন পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৮৭ পয়সায়। সম্মিলিত বা কনসোলিডেটেড ইপিএসের ভারিত গড় দাঁড়ায় ১ টাকা ৪৩ পয়সা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং এশিয়ান টাইগার ক্যাপিটাল পার্টনার্স ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড। নিরীক্ষক মাফেল হক অ্যান্ড কোম্পানি।

আইপিওর প্রসপেক্টাস অনুসারে, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং মূলত সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশন পরিচালনা করে। ২০০৭ সালে যাত্রা করা এ কোম্পানির মালিকানায় বর্তমানে তিনটি স্টেশন রয়েছে। এর বাইরে ২০১২ ও ২০১৩ সালে ইন্ট্রাকো দেশের বিভিন্ন অংশে মোট পাঁচটি স্টেশন কিনতে সংশ্লিষ্ট পাঁচ কোম্পানি অধিগ্রহণ করে। মোট আটটি রিফুয়েলিং স্টেশন থেকে গত হিসাব বছরে প্রায় শতকোটি টাকার রাজস্ব পেয়েছে কোম্পানিটি।

১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে মূল ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিংয়ের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৪৫ কোটি টাকা, আইপিওর পর যা ৭৫ কোটি টাকায় উন্নীত হবে।


শেয়ারবার্তা / মামুন

আইপিও সংবাদ এর সর্বশেষ খবর

উপরে